1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেপ্তার, নেওয়া হচ্ছে আদালতে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১-দল বগুড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে অপর ট্রাকের ধাক্কায় নিহত ৩ মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল

স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো, ফ্রিজে রাখতে গিয়ে ধরা স্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

শরীয়তপুরে স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। পরে মরদেহের মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণের চেষ্টা করতে গিয়ে স্থানীয়দের সন্দেহের মুখে ধরা পড়েন তিনি।

অভিযুক্ত নারী আসমা আক্তারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে শরীয়তপুরের চন্দ্রপুর এলাকায়। নিহত জিয়া সরদার শরীয়তপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ মাহমুদ এলাকার বাসিন্দা এবং মালয়েশিয়া প্রবাসী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় আট বছর আগে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের মাধ্যমে আসমা আক্তারের সঙ্গে জিয়া সরদারের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা বিয়ে করেন। এটি দুজনেরই দ্বিতীয় বিয়ে ছিল।

বিয়ের পর আসমাকে শরীয়তপুর শহরের পালং এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় রাখেন জিয়া। গত বছর দেশে ফেরার পর তারা চন্দ্রপুর এলাকায় নতুন বাসায় ওঠেন। এরপর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ বাড়তে থাকে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

অভিযোগ অনুযায়ী, চলতি মাসের ১২ মে রাতে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আসমা স্বামীর মাথায় রড দিয়ে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই জিয়া সরদারের মৃত্যু হয়।

এরপর মরদেহ গোপনের উদ্দেশ্যে ছুরি দিয়ে দেহ কয়েক টুকরো করে হাড় ও মাংস আলাদা করে ড্রামে ভরে রাখেন তিনি।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, তিন দিন পর শুক্রবার সন্ধ্যায় মরদেহের কিছু অংশ বস্তায় ভরে আটং এলাকার একটি বৃক্ষতলায় ফেলে দেওয়া হয়। নিহতের হাত-পা নড়িয়ার পদ্মা নদীর তীর এলাকায় ফেলে রাখা হয়েছিল, যা পরে উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে দেহের মাংসের অংশ নিয়ে আসমা তার পুরোনো ভাড়া বাসায় যান। সেখানে এক ভাড়াটিয়ার ফ্রিজে সেগুলো রাখার চেষ্টা করলে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এতে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসমাকে আটক করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃক্ষতলা এলাকার একটি পুকুর থেকে মাথাসহ হাড় উদ্ধার করা হয়।

নিহতের স্বজন শাহাদাত হোসেন শাহেদ বলেন, তার ভাই প্রবাস থেকে দেশে ফিরে আলাদা বাসায় সংসার করছিলেন। পরে তারা জানতে পারেন, তাকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।

আসমা আক্তার পুলিশের কাছে দাবি করেন, স্বামী তাকে প্রায়ই মারধর করতেন। ঘটনার রাতে রাগের মাথায় আঘাত করলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে ভয় পেয়ে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি