1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শেরপুরে বাড়ছে হামের উপসর্গে আক্রান্ত শিশু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৬ ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের বৈঠক কাপাসিয়ায় ৫ খুনের পর পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন ফোরকান, মিলছে না খোঁজ গৌরীপুরে ২ ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা, জরিমানা আরও একটিতে ২০২৭ সালের এসএসসি ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি শুরু ৬ জুন কোরবানির জন্য প্রায় এক কোটি পশু প্রস্তুত, সংকটের আশঙ্কা নেই: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু সুনামগঞ্জে তিন স্কুলে গিয়ে শিক্ষকশূন্য শ্রেণিকক্ষ পেলেন এমপি ওমানে একই গাড়িতে মিলল চট্টগ্রামের ৪ প্রবাসী ভাইয়ের মরদেহ চোখে লাগা গুলি মাথায় আটকে, ৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে না ফেরার দেশে রেশমী

শেরপুরে বাড়ছে হামের উপসর্গে আক্রান্ত শিশু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৬

নাইমুর রহমান তালুকদার, শেরপুর
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশু রোগীর চাপ বাড়ছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেল পর্যন্ত নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে ৪৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে, যা চলমান পরিস্থিতিতে একদিনে সর্বোচ্চ ভর্তি সংখ্যা বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ১৪৯ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে ৯৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ৮৯টি নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষায় এ পর্যন্ত তিনজন শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

বর্তমানে ভর্তি ৪৬ শিশুর বাইরে আরও অনেকে বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, আক্রান্তদের মধ্যে বেশ কয়েকজন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলায় হামজনিত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সেলিম মিয়া বৃহস্পতিবার বিকেলে জানান, হাসপাতালে প্রতিদিনই হামের উপসর্গ নিয়ে শিশু ভর্তি বাড়ছে। রোগীদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তবে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছেন কয়েকজন স্বজন। তাদের অভিযোগ, হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ না থাকায় বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে।

ছয় মাস বয়সী শিশু সাইমার নানী বলেন, হাসপাতালে ভর্তি থাকার পরও বেশিরভাগ ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে থাকলেও তাদের কষ্টের কথা কেউ ঠিকভাবে দেখছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আরেক স্বজন তাহমিনা আক্তার বলেন, চিকিৎসক ও হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে তেমন অভিযোগ না থাকলেও ওষুধ না পাওয়ায় ভোগান্তি বাড়ছে।

এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ শাহিন বলেন, ওষুধ সংকটের অভিযোগ তার জানা নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, জেলায় হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের টিকার আওতায় আনা হচ্ছে।

হাসপাতালে হামের রোগীদের জন্য আলাদা ইউনিট চালু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। শুরুতে ৮ শয্যার ব্যবস্থা থাকলেও রোগীর চাপ বাড়ায় সেটি বাড়িয়ে ২০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, হামের উপসর্গ দেখা দিলে আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখতে হবে। একই সঙ্গে মাস্ক ব্যবহার, নিয়মিত হাত ধোয়া এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জেলায় মোট ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৩২ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৭৭৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ মোট ১ হাজার ৩৩৫টি কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। হাসপাতালে এখনও টিকাদান কার্যক্রম চালু রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি