1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ইনানীর রিসোর্টে আগুনে স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের ৬ জনকে হারালেন নূর আলম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট না থাকলে দেশ আজও পাকিস্তান থাকত: স্পিকার গাজীপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় আগুন কুড়িগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় ইজিবাইকের ৫ যাত্রী নিহত, একই পরিবারের তিনজন শিশু হাসপাতালে চিকিৎসকের ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইনানীতে রিসোর্টে আগুনে নিহত ১০, পরিচয় মিলেছে ছয়জনের আজ প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিন, পুরোনো তিক্ততা ভুলে সামনে এগোনোর বার্তা কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টের আগুন নিয়ন্ত্রণে, নিহত বেড়ে ৬ সাংবাদিক আলিফ হত্যা: অজ্ঞাত ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের কারণ জানতে সৌদি আরবকে চিঠি

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট না থাকলে দেশ আজও পাকিস্তান থাকত: স্পিকার

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ভূমিকার কথা তুলে ধরে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, রেজিমেন্টটি পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে না তুললে বাংলাদেশ হয়তো এখনো পাকিস্তানের অংশ থাকত।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর এসকেএস টাওয়ারে ১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (সিনিয়র টাইগার্স) আয়োজিত ‘সিনিয়র টাইগার্সের অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের পুনর্মিলনী-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট একটি গৌরবোজ্জ্বল নাম। ১৯৪৮ সালে রেজিমেন্টটি গঠিত হয়। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য এ রেজিমেন্টের সদস্যরা সর্বাধিক বীরত্বসূচক পুরস্কার পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে একটি প্রকৃত জনযুদ্ধ হিসেবে বর্ণনা করে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এটি ছিল পুরো জাতির যুদ্ধ। শ্রেণি-পেশানির্বিশেষে দেশের সাধারণ মানুষ এতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখসমরে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যরা জীবন বাজি রেখে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

স্পিকার আরও বলেন, ১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ ঘোষণা করে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, মেজর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। বাঙালি জাতির অস্তিত্ব রক্ষার সেই সংগ্রামে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিল বলে বক্তব্যে তুলে ধরেন তিনি।

অনুষ্ঠানে নিজের সামরিক জীবনের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্পিকার। মহান মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখসমরে সাহসিকতা ও ধৈর্যের সঙ্গে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা উপস্থিত অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের সামনে তুলে ধরেন তিনি।

পরে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধে এর ভূমিকা নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে সিনিয়র টাইগার্সদের পক্ষ থেকে স্পিকারকে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়।

পুনর্মিলনীতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য, ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা, বিশিষ্ট অতিথি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি