1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল রোববার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, দেখা করবেন হেফাজত আমিরের সঙ্গে বিএনপি গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে: প্রতিমন্ত্রী টুকু ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট চালু ১/১১’র সময় ডিজিএফআইর বন্দিশালায় রাখা হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে: চিফ প্রসিকিউটর ‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’ মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যা করার ভেবেচিন্তে করবেন: আইনমন্ত্রী জুলাই জাদুঘরকে স্বায়ত্তশাসিত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আইনের দাবি নাহিদের

২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে আসছে বড় পরিবর্তন, যুক্ত হচ্ছে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অধ্যায়

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ে বড় ধরনের পুনর্বিন্যাস আনতে যাচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রস্তুত করা নতুন ‘ইতিহাস’ ও ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (বিজিএস)’ বইয়ে যুক্ত হচ্ছে দেশের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক নানা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

নতুন এই সংস্কারে প্রথমবারের মতো সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ১৯৯০-পরবর্তী রাজনৈতিক ভূমিকা আলাদাভাবে স্থান পাচ্ছে। বিশেষ করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তার অংশগ্রহণ এবং ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত রাজনৈতিক অবস্থান শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হবে।

এনসিটিবি সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে আংশিকভাবে উপস্থাপিত বা উপেক্ষিত কিছু ঐতিহাসিক বিষয় নতুনভাবে মূল্যায়ন করে পাঠ্যসূচিতে যুক্ত করার কাজ চলছে। লক্ষ্য হচ্ছে নতুন প্রজন্মকে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাস সম্পর্কে আরও বিস্তৃত ও বস্তুনিষ্ঠ ধারণা দেওয়া।

পরিমার্জিত বইয়ে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এর রাজনৈতিক ও সামরিক প্রেক্ষাপটও যুক্ত হচ্ছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি, অংশগ্রহণ ও প্রভাব নতুন পাঠ্যবইয়ে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সমসাময়িক ইতিহাসের এসব অধ্যায় শিক্ষার্থীদের বাস্তবধর্মী উপলব্ধি তৈরিতে সহায়ক হবে।

বিজিএস বইয়েও আসছে বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির বইয়ে নতুন বিষয় সংযোজনের পাশাপাশি অধ্যায় পুনর্বিন্যাস ও ভাষাগত পরিমার্জনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাচীন বাংলা থেকে আধুনিক বাংলাদেশ পর্যন্ত ধারাবাহিক ইতিহাস উপস্থাপনের লক্ষ্যেই এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি।

নতুন বইয়ের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকছে একটি বিশেষ অধ্যায়, যেখানে ১০ থেকে ১২ জন গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের জীবনী ও অবদান তুলে ধরা হবে। তালিকায় থাকছেন সম্রাট গোপাল, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এবং মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীসহ আরও কয়েকজন।

শুধু বিষয়বস্তু নয়, পাঠ্যবইয়ের ভাষা ও উপস্থাপনাতেও পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য বইকে আরও সহজ, প্রাণবন্ত ও চাপমুক্ত করতে ‘লার্নিং জয়’ বা আনন্দময় শিক্ষার ধারণাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মুখস্থনির্ভর পড়াশোনার পরিবর্তে বিশ্লেষণী ও সৃজনশীল শিক্ষাকে উৎসাহিত করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদুল হক জানিয়েছেন, বর্তমানে বই পরিমার্জনের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই সংশোধিত সংস্করণের কাজ শেষ করে জানুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পাঠ্যবই থেকে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমিয়ে এমনভাবে সাজানো হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীরা চাপের বদলে আগ্রহ নিয়ে শিখতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি