1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল রোববার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, দেখা করবেন হেফাজত আমিরের সঙ্গে বিএনপি গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে: প্রতিমন্ত্রী টুকু ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট চালু ১/১১’র সময় ডিজিএফআইর বন্দিশালায় রাখা হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে: চিফ প্রসিকিউটর ‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’ মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যা করার ভেবেচিন্তে করবেন: আইনমন্ত্রী জুলাই জাদুঘরকে স্বায়ত্তশাসিত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আইনের দাবি নাহিদের

হামের সংকট মোকাবিলাই এখন অগ্রাধিকার, পরে হবে দায়ীদের তদন্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

দেশে হামের সংক্রমণ পরিস্থিতিকে সামনে রেখে আপাতত চিকিৎসা ও টিকাদান কার্যক্রমে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, “কে ভুল করেছে সেটি খোঁজার আগে আমার মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে।”

মঙ্গলবার (১৩ মে) সরকারি ভ্যাকসিনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, হাম আক্রান্ত অনেক শিশুর পরবর্তীতে নিউমোনিয়া দেখা দিচ্ছে এবং জটিল অবস্থায় ভেন্টিলেশন প্রয়োজন হচ্ছে। এ কারণে সরকার আইসিইউ ও ভেন্টিলেশন সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে একজন বেসরকারি ওষুধ উদ্যোক্তার সহায়তায় আরও ১০টি ভেন্টিলেটর পাওয়া গেছে। সেগুলো দ্রুত বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করা হবে। বর্তমানে হাম রোগীদের চিকিৎসা, আইসোলেশন ও নিবিড় পরিচর্যা কার্যক্রম চালু রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী আরও বলেন, চীনের সিনোভ্যাক কোম্পানির কাছ থেকে ৭৬ হাজার ৬১৬ ভায়াল টিকা পাওয়া গেছে, যা মোট ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০ ডোজের সমপরিমাণ। এর ফলে টিকাদান কার্যক্রমে কোনো বড় সংকট থাকবে না বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি জানান, শিগগিরই পোলিও টিকাদানও শুরু হবে। একইসঙ্গে অ্যান্টির্যাবিস ভ্যাকসিন কার্যক্রমও চালু রাখা হচ্ছে। তার ভাষ্য, “একজন রোগীকেও টিকার বাইরে রাখা হবে না।”

ভিটামিন-এ ক্যাপসুলের কিছু ঘাটতির কথাও স্বীকার করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তবে জুন মাসের মধ্যে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত হবে বলে জানান তিনি। আগের নিয়ম অনুযায়ী বছরে দুইবার ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে বলেও উল্লেখ করেন।

এদিকে যেসব শিশু এখনো নিয়মিত টিকাদানের আওতায় আসেনি, তাদের শনাক্ত করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী।

টিকা ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনা বা গাফিলতির অভিযোগে তদন্ত হবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংকট পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার পর কেন্দ্রীয়ভাবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি