1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অবসরোত্তর ভিভিআইপি মর্যাদার মেয়াদ কমল, এখন ৬ মাস রাতে ঝড়ের সতর্কবার্তা: ১০০ কিমি বেগে কালবৈশাখীর আশঙ্কা অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে সংসদ ভবন ঘুরিয়ে দেখালেন এমপি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ময়মনসিংহে নারী শিক্ষার্থীদের উত্যক্তকারী গ্রেফতার, সিরাজগঞ্জে অভিযান সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থী এককভাবে নির্বাচিত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ল: বোতলজাত সয়াবিন লিটারে এখন ১৯৯ টাকা সব খাতে করছাড় নয়, ব্যবসা সহজ করতে সহায়ক পদক্ষেপ: অর্থমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ড্রেস-ব্যাগ: জুলাইয়ে পাইলট কার্যক্রম শুরু নোয়াখালীতে অদিতা হত্যা: সাবেক গৃহশিক্ষক রনির ফাঁসির রায় সংসদে হঠাৎ অসুস্থ এমপি বাশার, লবিতে গিয়ে খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ধর্ষণের দায়ে একজনের ৪৪ বছর ও অন্যজনের ১৪ বছর কারাদণ্ড

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবককে ৪৪ বছর ও অপর যুবককে ১৪ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার বিকেলে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) মো. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত দুই যুবককে শেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

৪৪ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত যুবকের নাম শফিকুল ইসলাম (৩১)। তাঁর বাড়ি ঝিনাইগাতী উপজেলার কালীনগর গ্রামে। ১৪ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত যুবকের নাম ছানা মিয়া (৩৩)। তাঁর বাড়ি একই উপজেলার হাঁসলিগাঁও গ্রামে।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. গোলাম কিবরিয়া জানিয়েছেন, কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে শফিকুল ইসলামকে একটি ধারায় যাবজ্জীবন (৩০ বছর) সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর একটি ধারায় শফিকুলকে কারাদণ্ড দেওয়া হয় ১৪ বছর। উভয় সাজা একসঙ্গে চলমান থাকবে। আরেক যুবক ছানা মিয়াকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২০ মে সন্ধ্যায় ঝিনাইগাতী উপজেলার একটি গ্রামের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী তার চাচার বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিল। আগে থেকে ওত পেতে থাকা যুবক শফিকুল ইসলাম ও ছানা মিয়া ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যান। এরপর শফিকুল কিশোরীকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে তাঁকে ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ২৪ মে কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে শফিকুল ও ছানা মিয়াকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা করেন। পরে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে একই বছরের ২৬ জুলাই ঝিনাইগাতী থানা-পুলিশ কিশোরীকে উদ্ধার করে। পরে ওই কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় এবং আদালতে জবানবন্দি নেওয়া হয়।

মামলার তদন্ত শেষে ঝিনাইগাতী থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খোকন চন্দ্র সরকার ২০১৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর শফিকুল ও ছানা মিয়ার নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ শেষে আদালত বুধবার বিকেলে ওই রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মো. গোলাম কিবরিয়া রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. জাহিদুল হক বলেন, তাঁরা ন্যায়বিচার পাননি। তাই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি