1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ড চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ১৫ বছরের চুক্তি রান্নাঘর ঝাড়ু দিতে গিয়ে জানলেন নোবেল পুরস্কার জিতেছেন রংপুরে একই পরিবারের চার খুন: সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডিএনএ শনাক্ত জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ একাডেমি, পাশে হবে কেন্দ্রীয় কারাগার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবরার ফাহাদের পরিবারের সাক্ষাৎ, মিলল যেসব আশ্বাস শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে আইনি বাধা নেই: শাহে আলম দুই ট্রাকের মাঝে চাপা পড়ে কেসিসির গাড়িচালকের মৃত্যু ডিসেম্বরের আগেই গঙ্গা চুক্তি, মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজের কাজ দৃশ্যমান: পানিসম্পদ মন্ত্রী লিফট চালু থাকলেও সিঁড়ি দিয়ে ছয়তলায় নেওয়া হয়েছে: আদালতে পলকের অভিযোগ

রংপুরে একই পরিবারের চার খুন: সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডিএনএ শনাক্ত

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ নমুনা বিভিন্ন আলামতের সঙ্গে মিলে গেছে। পুলিশ বলছে, এই পরীক্ষার ফল হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত সোয়া ৯টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।

তিনি জানান, ডিএনএ পরীক্ষার জন্য গত ২১ সেপ্টেম্বর সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে রংপুর কারাগার থেকে ঢাকায় সিআইডির কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে নমুনা পরীক্ষার পর ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন আলামতের সঙ্গে তাদের ডিএনএর মিল পাওয়া যায়।

সনাতন চক্রবর্তীর ভাষ্য অনুযায়ী, খেজুর, শসা ও সিগারেটসহ কয়েকটি আলামত পরীক্ষায় সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের ব্যবহৃত বলে শনাক্ত হয়েছে। তার মতে, পরীক্ষার ফলাফলে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থল থেকে মোট ৩৫টি আলামত সংগ্রহ করেছিল সিআইডি। ঘটনার ১২ দিন পর তিন ধাপে এসব আলামত ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।

এসব আলামতের মধ্যে ছিল ফল কাটার চাকু, ইয়াবা সেবনের ফয়েল, সিগারেটের শেষাংশ, নানরুটি, শসা, খেজুর, বেসিনের দাগ এবং নিহত শিশু প্রিয়মের খাতায় পাওয়া একটি লেখাসহ বিভিন্ন নমুনা।

এর আগে হত্যাকাণ্ডের নয় দিন পর সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্ট করা হয়েছিল। ওই পরীক্ষায় তাদের শরীরে মাদক সেবনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকার একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে একই এলাকার বাসিন্দা মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে দুই আসামি হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এ মামলায় আসামিদের বন্ধু সীমান্ত দাস, দখিগঞ্জ শ্মশানের পাহারাদার বিদ্যুৎ মোহন্ত এবং মাদক সরবরাহকারী শান্ত দাস ওরফে পুঁটি শান্ত আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।

আলোচিত চার হত্যার মামলাটি বর্তমানে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি