1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি’, ফেসবুক পোস্টে আসিফ নজরুল দিল্লিতে ধর্নায় বসার পর আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সঙ্গে তৃণমূলের পাঁচ সাংসদ মানববর্জ্য ও কৃষিজ বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী মক্কা-মদিনার মর্যাদার প্রশ্নে আপস নয়, মক্কা প্যাক্টে যোগ দিতে আগ্রহী বাংলাদেশ কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা স্থগিতের খবর, ঢাকায় সড়ক অবরোধে নিয়োগপ্রার্থীরা দিল্লিতে বিমান অবতরণের পর সিজেপির শীর্ষ তিন নেতা আটক কান্নায় ছেলেকে জড়িয়ে ধরে মায়ের আকুতি, তবু নিজের কাছে রাখতে রাজি নন ছেলে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আগে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করল দিল্লি পুলিশ কুমিল্লায় তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার অটোরিকশাচালক সুমনের: পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ড চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ

মানববর্জ্য ও কৃষিজ বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের প্রকল্প দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

বর্জ্যকে জ্বালানির উৎস হিসেবে কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) গবেষকদের উদ্ভাবিত একটি প্রকল্পের অগ্রগতি দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মানববর্জ্য, পয়ঃশোধনাগারের বর্জ্য, রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল তৈরির এ প্রযুক্তি বাণিজ্যিকভাবে বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকল্পটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গবেষকেরা প্রযুক্তিটির কার্যপদ্ধতি, গবেষণার অগ্রগতি এবং দেশে বাণিজ্যিকভাবে জ্বালানি তেল উৎপাদনের সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

প্রকল্পটির গবেষক কুয়েটের অধ্যাপক ড. মো. খালেকুজ্জামান প্রধানমন্ত্রীকে গবেষণার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত করেন। প্রদর্শনীতে প্রকল্পের কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়। প্রযুক্তিটির সম্ভাবনা বিবেচনায় এর বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

গবেষকেরা জানান, প্রায় ১০ বছর ধরে চলা এ গবেষণায় ‘হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন’ (এইচটিএল) প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্জ্য থেকে জৈব অপরিশোধিত তেল বা বায়োক্রুড উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। পরীক্ষাগারে পরিচালিত গবেষণায় বর্জ্য থেকে ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বায়োক্রুড উৎপাদনের ফল পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ডিজেলসমৃদ্ধ বায়োক্রুড উৎপাদনেও সাফল্য এসেছে।

পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপনে প্রয়োজন ১২০ কোটি টাকা

গবেষণার পরবর্তী ধাপে প্রতিদিন ১ থেকে ৩ টন বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করতে সক্ষম একটি পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা, উৎপাদন ব্যয় এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাই করা হবে।

প্রস্তাবিত প্ল্যান্ট স্থাপনে আনুমানিক ১০০ থেকে ১২০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা।

তাঁদের হিসাব অনুযায়ী, প্রযুক্তিটি সফলভাবে বাণিজ্যিক পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা গেলে ভবিষ্যতে আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশের বিকল্প হিসেবে দেশীয়ভাবে উৎপাদিত বায়োক্রুড ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে বছরে আনুমানিক ৬ হাজার ৫০০ কোটি থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকা সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হতে পারে।

তবে এ সম্ভাবনা বাস্তবে কাজে লাগাতে হলে বৃহৎ পরিসরে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতা যাচাই করতে হবে।

গবেষকদের প্রত্যাশা, সরকারি সহায়তায় প্রকল্পটি বাণিজ্যিক পর্যায়ে নেওয়া সম্ভব হলে জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং দেশীয় জ্বালানি শিল্পের বিকাশের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

প্রকল্পের প্রদর্শনীতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল মাহমুদ টুকু, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) পাবলিক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সদস্য অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন, কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মাছুদ এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি