দেশে পাইলট তৈরির সক্ষমতা বাড়াতে বগুড়ায় বিমানবন্দরের পাশাপাশি একটি ফ্লাইং একাডেমি স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে শিগগিরই সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ৭ মে সংশ্লিষ্ট স্থানে গিয়ে একাডেমি স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাই করা হবে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে।
তিনি জানান, শুধু বগুড়াই নয়, নীলফামারীতেও একটি ছোট আকারের ফ্লাইং একাডেমি রয়েছে। সেটিকেও আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তার মতে, দেশে পাইলট তৈরি ব্যয়বহুল হওয়ায় অনেকেই এ খাতে আসতে পারেন না, ফলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের বড় অংশ বিদেশমুখী হয়ে পড়ে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এখন লক্ষ্য হচ্ছে—এভিয়েশন খাতকে সবার জন্য উন্মুক্ত করা, যাতে সাধারণ শিক্ষার্থীরাও পাইলট হওয়ার সুযোগ পান। এতে দেশীয় মানবসম্পদ যেমন বাড়বে, তেমনি বিদেশে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সম্ভাবনাও তৈরি হবে।
ডিসি সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন জেলায় অব্যবহৃত বা কম ব্যবহৃত বিমানবন্দরগুলোর উন্নয়ন ও চালুর বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে পর্যটন খাত সম্প্রসারণে স্থানীয় প্রশাসনকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী ও সৈয়দপুরকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিমানবন্দর উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর হিসেবে গড়ে তোলার কাজ দ্রুত শুরু হবে। এছাড়া নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতিও চলছে।