1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না’ বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী আমরা আজ নব্য স্বৈরাচারের গন্ধ পাচ্ছি : শহীদ ফাইয়াজের বাবা যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বৃষ্টিও মারা গেছেন সিলেট-ময়মনসিংহে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাস ভাড়া বাড়ানো হয়নি, সমন্বয় করা হয়েছে : পরিবহনমন্ত্রী

নেত্রকোনায় বাবা-ছেলের মৃত্যুতে গৃহকর্ত্রীর দুই দিনের রিমান্ড

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২২ নভেম্বর, ২০২১

নেত্রকোনার একটি বাসা থেকে বাবা-ছেলের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গৃহকর্ত্রীর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় শুনানি শেষে নেত্রকোনা আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল ম্রং এ আদেশ দেন।

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার শাকের আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আবদুল কাইয়ুম সরদার (৩২) ও তাঁর দুই বছরের ছেলে আহনাব শাকিলের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গত শুক্রবার বিকেলে মামলা হয়েছে। কাইয়ুমের ভাই মোস্তফা আহমেদ বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার কাইয়ুমের স্ত্রী ছালমা খাতুনকে (২১) শুক্রবার সন্ধ্যায় আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। গতকাল সন্ধ্যায় শুনানি শেষে আদালত তাঁর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে মৃত্যুর আগে গত বুধবার দিবাগত রাত ৩টা ৫৭ মিনিটে কাইয়ুম তাঁর ঊধ্বর্তন কর্মকর্তা ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর নেত্রকোনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রশিদের কাছে ই-মেইল পাঠান, পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে। গতকাল সকালে ই–মেইলটি পুলিশের হাতে আসে।

নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুন্সী বলেন, ‘আমরা বিষয়টি খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। এ ই–মেইলে আবদুল কাইয়ুম বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করেছেন। তিনি নিজেকে অসহায় উল্লেখ করে পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়া কথা লিখেছেন। কিন্তু কেন তিনি এসব লিখেছেন, ছেলেকে হত্যার পর কাইয়ুম আত্মহত্যা করেছেন কি না, অথবা এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কি না; সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

এসব বিষয়ে কাইয়ুমের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানান তিনি। কাইয়ুম ও তাঁর ছেলের ডিএনএ নমুনা ও ভিসারা নমুনা পরীক্ষার জন্য গবেষণাগারে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নেত্রকোনা শহরের নাগড়া এলাকার পাঁচতলা একটি ভবনের চারতলা থেকে আবদুল কাইয়ুম সরদার ও তাঁর ছেলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন ছালমা খাতুন জানিয়েছিলেন, রাতে খাবার খেয়ে তাঁরা এক বিছানায় ঘুমিয়ে পড়েন। পরের দিন বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটায় জেগে উঠে পাশের কক্ষে একটি ফ্যানের সঙ্গে স্বামী ও সন্তানের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান তিনি। পরে তিনি রশি কেটে লাশ দুটি নামান এবং বিষয়টি প্রতিবেশীদের জানান। পরে স্থানীয় লোকজন থানা-পুলিশকে খবর দেন।

আবদুল কাইয়ুম সরদারের বাড়ি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার গোপালের খামার গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের আক্কাস সরদারের ছেলে। তিনি নেত্রকোনায় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক হিসেবে চাকরি করতেন। শহরের নাগড়া এলাকার ওই বাসার চারতলায় স্ত্রী-সন্তানসহ ভাড়া থাকতেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি