সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বহিষ্কার করলেও এ কারণে তাঁর সংসদ সদস্যপদ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিজ উদ্যোগে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করার এখতিয়ার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানান।
জি এম নজরুল ইসলামের সদস্যপদ নিয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের বিষয়ে এখন পর্যন্ত স্পিকারের কাছ থেকে কোনো চিঠি পায়নি নির্বাচন কমিশন।
জামায়াতের পাঠানো চিঠির বিষয়ে তিনি বলেন, কিছুদিন আগে দলটির প্যাডে নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি চিঠি আসে। সেখানে জি এম নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো হয়েছিল।
তবে শুধু ওই চিঠির ভিত্তিতে কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ সরাসরি ‘না’ বলেন।
তিনি জানান, এ ক্ষেত্রে সংসদ সচিবালয় থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশনের মূল দায়িত্ব নির্বাচন ব্যবস্থাপনা করা। সংসদ সদস্যপদ-সংক্রান্ত পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের আওতাভুক্ত।
ইসি সচিব আরও বলেন, স্পিকার বা সংসদ সচিবালয় থেকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাওয়া গেলে তার ভিত্তিতে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে নির্বাচন কমিশন।
এদিকে, আগামী নভেম্বর মাসে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে বিষয়েও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান ইসি সচিব। কমিশন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তা গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।