গ্রামাঞ্চলে প্রকৃত অর্থে কোনো লোডশেডিং নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, পল্লী বিদ্যুতের দীর্ঘ লাইনে কোথাও ত্রুটি দেখা দিলে তা শনাক্ত ও মেরামতে সময় লাগে, যার ফলে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকতে পারে।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, গ্রামে যে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার ঘটনা দেখা যায়, তা আসলে লোডশেডিং নয়; বরং লাইনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সাময়িক সমস্যা। ত্রুটি সমাধান হলেই সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি যে বিদ্যুৎ সংকট দেখা গিয়েছিল, তা তেলের ঘাটতির কারণে নয়, বরং যান্ত্রিক ত্রুটির ফল। তেলের অভাবে লোডশেডিং হচ্ছে—এমন ধারণা সঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তেল সংক্রান্ত কৃত্রিম সংকট মোকাবিলায় জেলা প্রশাসকদের ভূমিকার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কেও তাদের অবহিত করা হয়েছে।
এদিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে গুরুত্ব দিয়ে আগামী পাঁচ বছরে ৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী তিন মাসের মধ্যে দেশের জেলা প্রশাসক কার্যালয়গুলোতে সোলার প্যানেল স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।