1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে সংসদ ভবন ঘুরিয়ে দেখালেন এমপি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ময়মনসিংহে নারী শিক্ষার্থীদের উত্যক্তকারী গ্রেফতার, সিরাজগঞ্জে অভিযান সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ প্রার্থী এককভাবে নির্বাচিত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ল: বোতলজাত সয়াবিন লিটারে এখন ১৯৯ টাকা সব খাতে করছাড় নয়, ব্যবসা সহজ করতে সহায়ক পদক্ষেপ: অর্থমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ড্রেস-ব্যাগ: জুলাইয়ে পাইলট কার্যক্রম শুরু নোয়াখালীতে অদিতা হত্যা: সাবেক গৃহশিক্ষক রনির ফাঁসির রায় সংসদে হঠাৎ অসুস্থ এমপি বাশার, লবিতে গিয়ে খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে সেতুমন্ত্রীর তোপ: ‘রাজনীতি শিখুন, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে লাভ নেই’ ঈদুল আজহা সামনে, মিলতে পারে টানা ১০ দিনের ছুটি!

কটিয়াদীতে নৌকায় প্রকাশ্যে সিল মারা নিয়ে সংঘর্ষ, দুই ঘণ্টা ভোট বন্ধ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে উত্তর চর পুখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে নৌকার পক্ষে প্রকাশ্যে সিল মারার ঘটনায় অন্তত দুই ঘণ্টা ভোট গ্রহণ বন্ধ ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, সকাল সাড়ে আটটার দিকে প্রথমে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী আ. খালেক সরকারের সমর্থকেরা লাঠিসোঁটা নিয়ে কেন্দ্রে হামলা চালান। পরে বুথে গিয়ে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেন এবং প্রকাশ্যে সিল মারতে থাকেন। দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী হাবিবুর রহমানের সমর্থকেরা প্রতিরোধ করতে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এ অবস্থায় ভোট গ্রহণ বন্ধ হয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ভোট গ্রহণ শুরু হয় ঠিক সকাল আটটায়। তখন প্রতিটি বুথের সামনে লম্বা সারি। ভোটাররা ব্যালট পেপার হাতে বুথে ঢুকতেই নৌকার একজন প্রতিনিধি সহযোগিতার নামে নৌকায় ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করছিলেন। এ নিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে হইচই হয়। সাড়ে আটটার দিকে শতাধিক নৌকার সমর্থক লাঠিসোঁটা নিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকে পড়েন। পরে ৬ ও ৭ নম্বর বুথে ঢুকে সিল মারতে শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়।

নৌকায় সিল মারা হচ্ছে, এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর হাবিবুর রহমানের সমর্থকেরা লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেন। দুই পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হলে ভোটাররা কেন্দ্র থেকে চলে যান। খবর পেয়ে কেন্দ্রটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাফছা নাদিয়া এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। সকাল ১০টার কিছু পর থেকে আবার ভোট গ্রহণ শুরু হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাফছা নাদিয়া বলেন, ‘ঝামেলার খবর পেয়ে কেন্দ্রে যাই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসি। আমার উপস্থিতিতেই আবার ভোট গ্রহণ শুরু হয়।’

বিদ্রোহী প্রার্থী হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সকাল থেকে কেন্দ্র দখলের চেষ্টায় ছিলেন নৌকার সমর্থকেরা। আমরাও প্রতিরোধ করার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। শুধু উত্তর চর পুখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র নয়, অন্য সব কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে নৌকার সমর্থকেরা প্রভাব বিস্তার করে আছেন। ভোটাররা পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে পারছেন না।’

অভিযোগের বিষয়ে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী আ. খালেক সরকার বলেন, কেন্দ্রটি থেকে তিনি সর্বোচ্চ ভোট পাবেন। এ সত্য বিদ্রোহী হাবিবুর রহমান সমর্থকদের জানা। সে কারণেই পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে স্বাভাবিক ভোট গ্রহণে বাধার সৃষ্টি করেছেন তাঁরা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি