1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারা দেশে মোতায়েন থাকবে প্রায় ১০ হাজার বিজিবি সদস্য সচিবালয়ে এমপিদের সঙ্গে প্রবেশ করতে পারবেন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও চালক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ১ হাজার ৪৪ ভরি সোনা, রুপা ১ হাজার ৮৮ ভরি সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ডে তাজমিন হত্যা মামলায় কক্সবাজার থেকে আটক রাজু কুমিল্লা ডিবির হেফাজতে ‘বিধবা কার্ড দিলে এমপির বউ সবার আগে নেবে’: হাসনাত আবদুল্লাহ সম্পত্তির ভাগ নিয়ে বিরোধ, গাইবান্ধায় ৫ ঘণ্টা আটকে রইল বাবার জানাজা ধর্মীয় পরিচয় নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতি ও শুক্রবার সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা রিয়াদগামী ১০ ফ্লাইট স্থগিত, ৩ হাজার ৪৩১ যাত্রীর ভোগান্তি কমাতে নির্দেশ বিমানমন্ত্রীর

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ১ হাজার ৪৪ ভরি সোনা, রুপা ১ হাজার ৮৮ ভরি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ছয় বছরে জমা হয়েছে ১ হাজার ৪৪ ভরি সোনা ও ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা। একই সঙ্গে পাওয়া গেছে ৩০টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা। সোমবার (১২ অক্টোবর) দিনভর বাছাই, ওজন ও গণনা শেষে এসব তথ্য জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সোমবার সকাল ৯টার দিকে জেলা প্রশাসনের ট্রেজারি থেকে সিলগালা করা নয়টি কন্টেইনার ও ছয়টি খাম বের করা হয়। পরে কড়া নিরাপত্তায় সেগুলো কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নেওয়া হয়। সেখানে সোনা-রুপার ওজন নির্ধারণ এবং বৈদেশিক মুদ্রা গণনার কাজ শুরু হয়।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১০ জন পুলিশ সদস্য ও ছয়জন এসআরবি সদস্য। জেলা প্রশাসন, পাগলা মসজিদ ও রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি জেলা জুয়েলারি সমিতির ১০ জন স্বর্ণকার এ কাজে সহযোগিতা করেন।

সোমবার বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ জানান, দানবাক্সে জমা হওয়া সোনার ওজন ১২ কেজি ১৭৪ গ্রাম, যা ১ হাজার ৪৪ ভরির সমান। রুপার পরিমাণ ১২ কেজি বা ১ হাজার ৮৮ ভরি।

গণনা কার্যক্রমে যুক্ত রূপালী ব্যাংকের কিশোরগঞ্জ শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মোহাম্মদ আলী হারেছী জানান, ৩০টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। তবে এসব মুদ্রার গণনা শেষ করতে আরও সময় প্রয়োজন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সোনা ও রুপার বাজারমূল্য নির্ধারণের পর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিলামের মাধ্যমে সেগুলো বিক্রি করা হবে। অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংকের নির্ধারিত বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে।

পাগলা মসজিদের দানবাক্স সাধারণত তিন মাস পরপর খোলা হয়। এতে নগদ অর্থের পাশাপাশি সোনা-রুপাসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী পাওয়া যায়। নগদ অর্থ গণনার পর দ্রুত হিসাব প্রকাশ করা হলেও সোনা-রুপা জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে সংরক্ষণ করা হয়।

সর্বশেষ ২০২০ সালের ১১ মার্চ সোনা-রুপার হিসাব করা হয়েছিল। সে সময় প্রায় তিন বছরে জমা হওয়া ৪২০ ভরি সোনা ও ১৮৮ ভরি রুপা নিলামে বিক্রি করে ১ কোটি ১১ লাখ ১০ হাজার ১২০ টাকা পাওয়া যায়। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা নগদায়ন করে পাওয়া যায় ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৫১ টাকা।

২০২০ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত পাগলা মসজিদের দানবাক্স ১৮ বার খোলা হয়েছে। তবে সোনা-রুপার পরিমাপ ও বৈদেশিক মুদ্রা গণনার আয়োজন এবারই প্রথম।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পাগলা মসজিদের তহবিলে জমা রয়েছে ১৩১ কোটি ৮৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮১০ টাকা। পাশাপাশি মসজিদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনুদান এসেছে আরও ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ৯০৬ টাকা।

কিশোরগঞ্জ শহরের নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ দেশজুড়ে পরিচিত। মানত পূরণের আশায় প্রতিদিন বহু মানুষ এখানে দান করেন। এসব অর্থ মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি