1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মাগুরায় এক বাড়িতে ২৩৫ ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৫০৬ কোটি টাকা সব পক্ষের মতামত নিয়ে সংবিধানে ‘ইনক্লুসিভ’ সংশোধনী চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত কিশোর অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে মাঠপর্যায়ে নির্দেশ আইজিপির ১০ এয়ারবাস কিনতে চায় সরকার, অক্টোবরে চুক্তির সম্ভাবনা: বিমানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ আবু সাঈদের বাড়ি ও কবরস্থানের উন্নয়নে এক কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতসহ ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে তাড়াহুড়োর প্রয়োজন নেই: দীনেশ ত্রিবেদী রাবি রেলস্টেশনে চলন্ত ট্রেন থেকে পাথর নিক্ষেপ, আটক ৩

মাগুরায় এক বাড়িতে ২৩৫ ইউনিটের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৫০৬ কোটি টাকা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেও মাগুরার এক গ্রাহকের নামে সেপ্টেম্বর মাসে বিল এসেছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। অস্বাভাবিক এই বিল দেখে বিস্মিত হয়েছেন গ্রাহক ও তার পরিবারের সদস্যরা।

মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর বিলটি ইস্যু করা হয়। তিনি ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী।

বিলের তথ্য অনুযায়ী, মাসজুড়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে ২৩৫ ইউনিট। অথচ এর বিপরীতে ডিমান্ড চার্জ দেখানো হয়েছে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট যোগ হয়ে মোট বিল দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ সেটি বেড়ে ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।

তবে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রকৃত বিল হওয়ার কথা ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ এর পরিমাণ ২ হাজার ৫৬ টাকা।

গত ১০ সেপ্টেম্বর বিলটি ইস্যু করা হয়। পরিশোধের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয় ২৯ সেপ্টেম্বর। বিলটিতে গ্রাহকের শ্রেণি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ‘এলটি-এ (আবাসিক)’।

অস্বাভাবিক বিল নিয়ে গ্রাহক আলেয়া খাতুন বলেন, এটি শুধু ভুতুড়ে বিল নয়, বরং আজগুবিও। বিদ্যুৎ বিভাগের এমন ভুলের কারণে গ্রাহকের দুশ্চিন্তা ও ভোগান্তি বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি এর প্রতিকার দাবি করেন।

ঘটনার বিষয়ে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গ্রাহকের মিটার পরিবর্তনের সময় ভুলবশত মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হয়ে যায়। এ কারণেই অস্বাভাবিক অঙ্কের বিল তৈরি হয়েছে। পরে বিলটি সংশোধন করে গ্রাহকের কাছে দেওয়া হয়েছে।

রেজাউল করিম আরও জানান, এ ভুলের সঙ্গে যারা জড়িত, তদন্তের পর তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলামও বিষয়টিকে টাইপিং মিসটেক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বিলটি সংশোধন করা হয়েছে এবং সংশোধিত বিলের অর্থ গ্রাহক পরিশোধ করেছেন। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় বিদ্যুৎ বিল তৈরির পাশাপাশি যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় দায়িত্বশীলতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন গ্রাহকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি