1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জাফর ইকবাল ও মাকসুদ কামালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে উলামায়ে কেরামদের বৈঠক নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে মালয়েশিয়া গেলেন মির্জা আব্বাস গাজীপুরে সিগারেট কারখানায় দেয়াল টপকে ভ্যাট কর্মকর্তাদের অভিযান, ৭২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন তরুণদের উদ্যোক্তা করতে বছরে ৫ হাজার জনকে ২০ লাখ টাকা ঋণ জুলাই জাদুঘরের মহাপরিচালক হলেন সাংবাদিক এহসান মাহমুদ একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প অনুমোদন তিতাসে দেশের সবচেয়ে গভীর কূপ খনন, দিনে মিলবে ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সবকিছুর সমালোচনা না করে সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে উলামায়ে কেরামদের বৈঠক

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল-২০২৬’ নিয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন একদল তরুণ উলামায়ে কেরাম। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে আইনমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বিলটির উদ্দেশ্য এবং পিতা-মাতা, প্রবীণ ব্যক্তি ও দাতার জীবদ্দশায় সম্পত্তির ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন উলামায়ে কেরামরা।

তবে মুসলিম নাগরিকদের সম্পত্তি হস্তান্তর, হেবা, ওসিয়ত ও মিরাসের বিষয়গুলো কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক বিধানের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় সম্ভাব্য শরয়ি জটিলতার বিষয়টি তারা লিখিতভাবে তুলে ধরেন।

তাদের মতে, জীবদ্দশায় সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর করার পরও সেটির ভোগাধিকার মৃত্যুর পর কার্যকর করার ব্যবস্থা প্রচলিত হেবার শরয়ি কাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্য তৈরি করতে পারে। একইভাবে, এর প্রয়োগ যদি ওসিয়তের বৈশিষ্ট্য ধারণ করে, তাহলে কোনো ওয়ারিসের ওসিয়ত ও নির্ধারিত মিরাসের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বৈঠকে আইনটির অপব্যবহারের মাধ্যমে কোনো উত্তরাধিকারীকে ইচ্ছাকৃতভাবে বঞ্চিত করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন উলামায়ে কেরামরা।

এ জন্য দেশের শীর্ষ মুফতি, ফকিহ, ইসলামি আইন গবেষক ও আইনজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি বিশেষজ্ঞ পর্যালোচনা কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। তাদের প্রস্তাব, প্রবীণ ব্যক্তি ও দাতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মুসলিম নাগরিকদের হেবা, ওসিয়ত ও মিরাসসংক্রান্ত শরয়ি বিধান যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে অনুযায়ী বিলটি পুনর্বিবেচনা করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামো তৈরি করা।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ, জাতীয় উলামা মশায়েখ আইম্মাহ পরিষদের মহাসচিব মুফতি রেজাউল করিম আবরার, ইসলামবাগ মাদরাসার মুহতামিম মুফতি আব্দুল কাইয়ুম কাসেমী, বাংলাদেশ ফিকহ একাডেমির মহাপরিচালক মুফতি ফয়সাল মাহমুদ হাবিবী, জাতীয় উলামা মশায়েখ আইম্মাহ পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী এবং মোহাম্মদপুর মোহাম্মদী হোমস জামে মসজিদের খতিব মুফতি আদনান মাসউদসহ অনেকে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি