1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার গাজীপুরের পাঁচ খুনের আসামি ফোরকানের মরদেহ বাংলাদেশকে জেএফ-১৭ ব্লক ৩ সিমুলেটর দিল পাকিস্তান আগামী বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডে বড় বরাদ্দ থাকবে: প্রধানমন্ত্রী বাকৃবির দুই আবাসিক হলে চুরি, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো, ফ্রিজে রাখতে গিয়ে ধরা স্ত্রী চাঁদপুর সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনা যুবকের প্রেমের টানে বাংলাদেশে আগমন, বয়সের বাধায় ফিরতে হলো খালি হাতে না ফেরার দেশে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার গৌরীপুরে চোরাই মোটরসাইকেলসহ ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ জামালপুরে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রের দুই সদস্য আটক, উদ্ধার ৯৬৩ সিম

যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাব্য প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা
বাংলাদেশকে জেএফ-১৭ ব্লক ৩ সিমুলেটর দিল পাকিস্তান

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

বাংলাদেশের কাছে ‘জেএফ-১৭ থান্ডার ব্লক ৩’ যুদ্ধবিমানের পূর্ণাঙ্গ সিমুলেটর হস্তান্তর করেছে পাকিস্তান। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল প্রশিক্ষণ সহায়তা নয়; বরং সম্ভাব্য যুদ্ধবিমান ক্রয়চুক্তির আগাম প্রস্তুতির অংশ হতে পারে।

ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক কৌশলগত বাস্তবতায় এই পদক্ষেপ নতুন বার্তা দিচ্ছে। বিশেষ করে দুই দেশের বিমান বাহিনীর মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক ‘এয়ার স্টাফ টকস’-এর পর এই সিমুলেটর হস্তান্তরের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

২০২৬ সালের মে মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন এয়ার ভাইস মার্শাল আওরঙ্গজেব আহমেদ। তিনি বর্তমানে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর অপারেশনাল ডেপুটি চিফ অব এয়ার স্টাফ, কমান্ডার স্ট্র্যাটেজিক কমান্ড এবং ডিরেক্টর জেনারেল পাবলিক রিলেশনস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন এয়ার কমান্ডার শাহ খালিদ, এয়ার কমান্ডার আব্দুল গফুর বাজদুর, গ্রুপ ক্যাপ্টেন মাহমুদ আলী খান এবং উইং কমান্ডার হাসান তারিক আজিজ।

বিশ্লেষকদের ভাষ্য, এত উচ্চপর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ ইঙ্গিত দেয় যে সফরটি শুধুই সৌজন্য বৈঠক ছিল না। এর সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ও জড়িত থাকতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারা বৈঠকে জেএফ-১৭ ব্লক ৩ যুদ্ধবিমানের সক্ষমতা নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা দেন। সেখানে বহুমুখী যুদ্ধ পরিচালনা, আধুনিক রাডার ও অস্ত্রব্যবস্থার পাশাপাশি ২০২৫ সালে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার সময় রাফাল যুদ্ধবিমানের সঙ্গে তুলনামূলক কার্যকারিতার বিষয়ও তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশে পাঠানো সিমুলেটরটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধকালীন প্রশিক্ষণ সক্ষমতাসম্পন্ন একটি আধুনিক সিস্টেম। এর মাধ্যমে পাইলটরা বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো পরিবেশে মিশন অনুশীলন করতে পারবেন।

সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন যুদ্ধবিমান সংগ্রহের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সময়সাপেক্ষ অংশ হলো পাইলট ও প্রযুক্তিবিদদের প্রশিক্ষণ। আগাম সিমুলেটর সরবরাহের ফলে যুদ্ধবিমান হাতে পাওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট জনবল প্রশিক্ষিত হয়ে উঠবে।

এছাড়া প্রকৌশলী ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীরাও বিমানের অভ্যন্তরীণ প্রযুক্তি ও পরিচালনা ব্যবস্থা সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন। এতে ভবিষ্যতে বিমানবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা দ্রুত কার্যকর করা সহজ হবে।

আধুনিক সামরিক ব্যবস্থায় যুদ্ধবিমান কেনার আগে সিমুলেটর ও প্রশিক্ষণ অবকাঠামো গড়ে তোলাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ শুধু যুদ্ধবিমান সংগ্রহ নয়, সেটি পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল ও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতিও সমানভাবে জরুরি।

বিশ্লেষকদের ধারণা, পাকিস্তানের এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি