1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ল্যাপটপ বিক্রির বিজ্ঞাপন, যশোরে ‘হানি ট্র্যাপে’ ফেলে সর্বস্ব লুট ভারতের ‘হাসিনা কার্ড’ আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসঙ্গে যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ বিএনপির আনন্দ মিছিল রোববার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, দেখা করবেন হেফাজত আমিরের সঙ্গে বিএনপি গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে: প্রতিমন্ত্রী টুকু ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট চালু ১/১১’র সময় ডিজিএফআইর বন্দিশালায় রাখা হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে: চিফ প্রসিকিউটর ‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’ মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যা করার ভেবেচিন্তে করবেন: আইনমন্ত্রী জুলাই জাদুঘরকে স্বায়ত্তশাসিত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আইনের দাবি নাহিদের

সীমান্তে ‘কুমির-সাপ’ মোতায়েনের প্রস্তাব বিএসএফের, সমালোচনায় বিশেষজ্ঞরা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের দুর্গম নদী ও জলাভূমি এলাকাগুলোতে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কুমির ও বিষধর সাপ ব্যবহারের একটি পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। বিষয়টি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিএসএফ কর্মকর্তাদের মতে, যেসব সীমান্ত এলাকায় বেড়া নির্মাণ করা কঠিন, সেখানে প্রাকৃতিক বাধা হিসেবে সরীসৃপ ব্যবহার করলে চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ কমানো যেতে পারে। বিশেষ করে নদীপথ ও জলাবদ্ধ অঞ্চলগুলোতে এ ধরনের কৌশল বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের মোট ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে, যা পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও মিজোরাম রাজ্যের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত। এর মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার অংশে ইতোমধ্যে বেড়া নির্মাণ করা হলেও বাকি অংশের বড় অংশই নদী ও জলাভূমি হওয়ায় তা কঠিন হয়ে পড়েছে।

গত ২৬ মার্চ বিএসএফের একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠকের পর বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড পূর্বাঞ্চল ও উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় ইউনিটগুলোকে সীমান্তবর্তী নদীপথে সরীসৃপ ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দেয়। এ সংক্রান্ত খবর প্রথম প্রকাশ করে ভারতের আঞ্চলিক গণমাধ্যম ‘নর্থইস্ট নিউজ’।

তবে এই পরিকল্পনা নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলে তীব্র সমালোচনা উঠেছে। সীমান্ত বিশ্লেষক অংশুমান চৌধুরী একে ‘অশুভ, বিপজ্জনক ও অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এ ধরনের প্রাণী মানুষের পরিচয়ভেদ করতে পারে না—ফলে ঝুঁকি উভয় দেশের মানুষের জন্যই থাকবে।

অন্যদিকে, প্রাণী সংরক্ষণ সংস্থা ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্টের ভারতীয় শাখার কর্মকর্তা রথীন বর্মণ সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ স্থানীয় বাস্তুসংস্থান ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, সীমান্তবর্তী নদী-জলাভূমির পরিবেশে এসব প্রাণীর টিকে থাকা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

আধুনিক বিশ্বে সীমান্ত সুরক্ষায় এ ধরনের কৌশল গ্রহণের নজির নেই বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সূত্র : আলজাজিরা

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি