1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মায়ের আরোগ্য কামনায় দানবাক্সে সোনার দুল ও চিরকুট সীমান্তে ‘কুমির-সাপ’ মোতায়েনের প্রস্তাব বিএসএফের, সমালোচনায় বিশেষজ্ঞরা পুলিশে বড় রদবদল: ৫ অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ৮ কর্মকর্তা বদলি ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় আগুন, শ্রমিক আহত ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার নয়—প্রধানমন্ত্রী বিল স্থগিতের দাবি বিরোধীদলীয় নেতার, ‘অধিকার খর্ব করবেন না’ ইনুকে ‘টেনশন কইরেন না’ বলা দুই পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার, বিভাগীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়ায় ট্রাইব্যুনালে হাজিরা এড়িয়ে গেলেন কামরুল, ‘যেকোনো মূল্যে উপস্থিতি’ নির্দেশ রাজনৈতিক হয়রানির ২৩,৮৬৫ মামলা প্রত্যাহার: সংসদে আইনমন্ত্রী অবসরোত্তর ভিভিআইপি মর্যাদার মেয়াদ কমল, এখন ৬ মাস

সীমান্তে ‘কুমির-সাপ’ মোতায়েনের প্রস্তাব বিএসএফের, সমালোচনায় বিশেষজ্ঞরা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের দুর্গম নদী ও জলাভূমি এলাকাগুলোতে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কুমির ও বিষধর সাপ ব্যবহারের একটি পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। বিষয়টি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিএসএফ কর্মকর্তাদের মতে, যেসব সীমান্ত এলাকায় বেড়া নির্মাণ করা কঠিন, সেখানে প্রাকৃতিক বাধা হিসেবে সরীসৃপ ব্যবহার করলে চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ কমানো যেতে পারে। বিশেষ করে নদীপথ ও জলাবদ্ধ অঞ্চলগুলোতে এ ধরনের কৌশল বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের মোট ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে, যা পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও মিজোরাম রাজ্যের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত। এর মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার অংশে ইতোমধ্যে বেড়া নির্মাণ করা হলেও বাকি অংশের বড় অংশই নদী ও জলাভূমি হওয়ায় তা কঠিন হয়ে পড়েছে।

গত ২৬ মার্চ বিএসএফের একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠকের পর বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড পূর্বাঞ্চল ও উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় ইউনিটগুলোকে সীমান্তবর্তী নদীপথে সরীসৃপ ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দেয়। এ সংক্রান্ত খবর প্রথম প্রকাশ করে ভারতের আঞ্চলিক গণমাধ্যম ‘নর্থইস্ট নিউজ’।

তবে এই পরিকল্পনা নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলে তীব্র সমালোচনা উঠেছে। সীমান্ত বিশ্লেষক অংশুমান চৌধুরী একে ‘অশুভ, বিপজ্জনক ও অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এ ধরনের প্রাণী মানুষের পরিচয়ভেদ করতে পারে না—ফলে ঝুঁকি উভয় দেশের মানুষের জন্যই থাকবে।

অন্যদিকে, প্রাণী সংরক্ষণ সংস্থা ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্টের ভারতীয় শাখার কর্মকর্তা রথীন বর্মণ সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ স্থানীয় বাস্তুসংস্থান ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, সীমান্তবর্তী নদী-জলাভূমির পরিবেশে এসব প্রাণীর টিকে থাকা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

আধুনিক বিশ্বে সীমান্ত সুরক্ষায় এ ধরনের কৌশল গ্রহণের নজির নেই বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সূত্র : আলজাজিরা

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি