1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী আমরা আজ নব্য স্বৈরাচারের গন্ধ পাচ্ছি : শহীদ ফাইয়াজের বাবা যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বৃষ্টিও মারা গেছেন সিলেট-ময়মনসিংহে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাস ভাড়া বাড়ানো হয়নি, সমন্বয় করা হয়েছে : পরিবহনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

হালুয়াঘাট সীমান্তে বন্যহাতিদের তাণ্ডবে কাটছে নির্ঘুম রাত

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৫ জুন, ২০২১

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী ভূবনকুড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বন্যহাতির আনাগোনা বেড়ে গেছে। হাতির আতঙ্কে সীমান্ত এলাকায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন মানুষ। গেল ২৮ মে হালুয়াঘাট নালিতাবাড়ি সীমান্তের নালিতাবাড়ী উপজেলার ফেকামারী পাহাড়ি এলাকায় বন্যহাতির আছাড়ে ও পা দিয়ে পিষে হালুয়াঘাট উপজেলার কুমুরিয়া গ্রামের সুখেন ঘাগরার ছেলে অপূর্ব চাম্বু গং (৪৫) নিহত হন। এছাড়াও হালুয়াঘাট সীমান্তে ২০০৭ সালে হাতির আক্রমণে অন্তঃসত্ত্বা মা ও মেয়ে নিহতের ঘটনা মনে হলে এখনো আঁৎকে ওঠে এই এলাকার মানুষ।

তবে গত কদিনে সীমান্তে বন্যহাতির তাণ্ডবে ফসল ও সম্পদহানি বেড়েই চলেছে। গেল ১৩ জুন রবিবার মধ্যরাতে সীমান্তবর্তী কড়ইতলী গ্রামের মোহর উদ্দিনের বাড়িতে তাণ্ডব চালায় বন্যহাতির দল। এতে তার টিনশেডের গোয়ালঘর ভেঙে যায়। শুধু তাই নয়, কড়ইতলী পার্কের লোহার নেট দিয়ে করা সীমানা প্রাচীরেরও ক্ষতি করে বন্যহাতি।

হাতিরা প্রায় প্রতিদিন দল বেঁধে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড় থেকে নেমে আসে এবং মানুষের বাড়িঘর ও ফলবাগান তছনছ করে দেয়। বর্তমানে আম, কাঁঠাল, কলাসহ বিভিন্ন ফলের মৌসুম হওয়ায় হাতির আক্রমণ বেড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

উপজেলার ভূবনকুড়া ইউনিয়নের কড়ইতলী, ধোপাজুরি, চিরিঙ্গিপাড়া, কোঁচপাড়া, রঙ্গমপাড়া, গোবরাকুড়া এলাকায় হাতির আক্রমণ সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী নালিতাবাড়ির উপজেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন গ্রামেও হাতির দল প্রতিনিয়ই তাণ্ডব চালাচ্ছে। ভারতের চেরেঙ্গপাড়া সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় হাতির দল খাবার খুঁজতে বাংলাদেশের এসব এলাকায় ঢুকে প্রতিনিয়ত হানা দিচ্ছে। এখানকার মানুষের রাত কাঁটছে নির্ঘুম।

কিছু গ্রামে স্থানীয় যুবকরা মিলে স্ব-উদ্যোগে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। ভূবনকুড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম সুরুজ মিয়ার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগে পরিষদের পক্ষ থেকে মশাল জ্বালানোর জন্যে কেরোসিন ও ফটকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তাছাড়াও রাতে পাহারার জন্য কিছু লোক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় তা খুবই অপ্রতুল। এসব এলাকায় বিদ্যুতের সংযোগ নেই। প্রশাসনে পক্ষ থেকে আমি একাধিকবার সৌর বিদ্যুতের স্ট্রিট লাইট দেওয়ার জন্যও বলেছি। এটি পাওয়া গেলে অন্তত অন্ধকার থাকতো না এবং হাতির দল এসব এলাকায় আসত না।

স্থানীয় কৃষক মোহর উদ্দিন বলেন, বর্তমানে কাঁঠাল ফলের মৌসুম হওয়ায় হাতির আক্রমণে গাছপালা ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

আরেকজন কৃষক অসীম স্ক্রু বলেন, আমার একটি কাঁঠালের বাগান রয়েছে। হাতির দল এবারো আমার বাগানের বেশ কিছু কাঁঠাল গাছ ভেঙে দিয়েছে। দিনে এবং রাতে যেকোনো সময় এই হাতির দল চলে আসে, ফলে আমরা খুবই আতঙ্কে আছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রেজাউল করিম বলেন, ভারতীয় বন্য হাতীর দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করার বিষয়টি উপজেলা ও জেলা প্রশাসন অবগত আছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি