রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মরিয়মের আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় বাদী ও আসামিপক্ষের মধ্যে আপস হয়েছে। ২৯ সেপ্টেম্বর নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সম্পাদিত আপসনামায় মরিয়মের স্বামী জি. এম. নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম ও পরিবারের অন্য সদস্যদের এ ঘটনায় জড়িত না থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
আপসনামায় বাদী এস. এম. মাসুম বিল্লাহ এবং দ্বিতীয় পক্ষের প্রতিনিধি মো. আব্দুল হামিদ মোড়ল স্বাক্ষর করেন।
নথিতে বলা হয়েছে, ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে ঢাকায় নিজ বাসভবনে মাসুম বিল্লাহর মেয়ে মরিয়ম আত্মহত্যা করেন। পরে স্বামী জি. এম. নজরুল ইসলামের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে যান তার বাবা।
ঘটনার পর তাৎক্ষণিক সন্দেহের ভিত্তিতে নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামসহ আরও একজনকে আসামি করে দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করা হয়। মামলাটি ২০ সেপ্টেম্বর দায়ের করা হয়।
পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা ও নিকটাত্মীয়দের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়। আপসনামায় বলা হয়েছে, উভয় পক্ষের উপলব্ধি হয়েছে যে আসামিদের কোনো প্ররোচনা বা কার্যকলাপের কারণে মরিয়ম আত্মহত্যা করেননি।
আপসনামার শর্ত অনুযায়ী, নজরুল ইসলাম ও মাকসুদা ইসলাম জামিন পেলে বাদী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি করা হবে না। জামিনের পর দুই পক্ষ সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবেন এবং বিচারিক কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন।
নথিতে পারিবারিক শান্তি ও আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার স্বার্থে দুই পক্ষের এই সমঝোতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।