বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি পণ্য আমদানির জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। একই সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত ডিজিটাল পেমেন্ট এবং বাংলা কিউআর ব্যবহারের পরিধি বাড়ানোর বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতে দুই দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন গভর্নর ও ভারতীয় হাইকমিশনার।
আন্তঃসীমান্ত ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে ভারতের অভিজ্ঞতা এবং সম্ভাব্য কারিগরি সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় বাংলা কিউআর ব্যবস্থার ব্যবহার আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।
বৈঠকে বিদেশি বিনিয়োগের প্রক্রিয়া আরও সহজ করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন ভারতের হাইকমিশনার। এর পরিপ্রেক্ষিতে গভর্নর জানান, বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে কয়েকটি নীতিগত উদ্যোগ নিয়েছে।
গভর্নর বলেন, এসব উদ্যোগের ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ করা অর্থ ও অর্জিত মুনাফা নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া সহজ হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রযুক্তিনির্ভর, উৎপাদনমুখী ও শিল্প খাতে ভারতীয় বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাতে ভারতের পক্ষে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে ডেপুটি হাইকমিশনার পবনকুমার বাধে এবং সেকেন্ড সেক্রেটারি (ইকোনমিক অ্যান্ড কমার্স) গৌরব কুমার আগারওয়াল উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে গভর্নরের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান ও ডেপুটি গভর্নর মো. সরোয়ার হোসেন।
দুই দেশের বাণিজ্য ও আর্থিক সম্পর্ক আরও জোরদারে পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।