ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক ছাত্রীর সঙ্গে অশালীন ও অশোভন আচরণের অভিযোগে খণ্ডকালীন শিক্ষক নজরুল ইসলামকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর গত ২৯ অক্টোবর তাঁকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করে ভাঙ্গা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে ওই শিক্ষক ও ছাত্রীর একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। তবে ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার আগেই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছিল।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ অক্টোবর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নজরুল ইসলামকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। পরে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ২৯ অক্টোবর তাঁকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়।
নজরুল ইসলাম বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি ভাঙ্গা পৌর শহরের কোর্টপাড়া এলাকায় একটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করতেন। সেখানে ভাঙ্গা পাইলট স্কুলসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করত। ওই কোচিং সেন্টারেই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ১৫ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়াতেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৫৪ সেকেন্ডের ভিডিওতে কোচিং সেন্টারের একটি কক্ষে শিক্ষককে ওই ছাত্রীকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিতে দেখা যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হায়দার হোসেন জানান, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত খণ্ডকালীন শিক্ষককে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগ ওঠার পর প্রথমে তাঁকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয় এবং তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর স্থায়ীভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অভিযুক্ত শিক্ষক নজরুল ইসলামের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।