চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহজাহান খান মিয়ার ছেলে মাহির এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার খবর প্রকাশের পর জেলা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় সংসদ। একই সঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে মেহেরপুর জেলা ছাত্রদলের কমিটিও।
রোববার (১ নভেম্বর) ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক ও সহসভাপতি পদমর্যাদার কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলা শাখার কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। শিগগিরই এ দুটি ইউনিটে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
এর আগে রোববার বিকেলে ‘ঢাকা ডায়েরি’তে ‘এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদল সভাপতির ছেলে’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শাহজাহান খান মিয়ার ছেলে মাহির ফলাফলের তথ্য তুলে ধরা হয়।
ছেলের সাফল্যে শুভেচ্ছা ও দোয়া জানিয়ে শনিবার (৩১ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন শাহজাহান খান। চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছেলের ছবিসহ পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। অনেক অনেক ভালোবাসা, দোয়া ও শুভকামনা রইল বাজান।’
উল্লেখ্য, শনিবার (৩১ অক্টোবর) চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এ বছর পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন।
বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন। বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৫০ জন। যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২২৮ জন।
দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯৫৩ জন। সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ছিল ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ৫২০ জন।
গত ২ জুলাই এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।