দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর নিয়োগের পথ খুলেছে ময়মনসিংহের ২২ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক প্রার্থীর মধ্যে ২০ জনের। বুধবার দিনভর অনশনের পর মধ্যরাতে তাঁদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। তবে বাকি দুই প্রার্থীর নিয়োগ এখনো ঝুলে আছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ২০ জনের নিয়োগপত্র ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন প্রার্থীরা।
এর আগে এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে নেতিবাচক তথ্য থাকার কথা জানিয়ে ২২ প্রার্থীর নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়েছিল। এ অবস্থায় বুধবার সকাল সোয়া ১১টা থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অনশন শুরু করেন তাঁরা।
অনশনরত প্রার্থীদের দাবি, তাঁদের কারও বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। তারপরও নিয়োগ আটকে রাখা হলেও এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে কী ধরনের নেতিবাচক তথ্য রয়েছে, সে বিষয়ে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি।
ফুলপুরের কাজী অনিক নিয়োগপত্র পাওয়ার পর বলেন, মধ্যরাতে ওয়েবসাইটে নিয়োগপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। এতে তাঁরা খুশি। বৃহস্পতিবারই যোগদানের কথা জানান তিনি।
অন্যদিকে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের একজন গফরগাঁওয়ের জাহিদ হাসান। তিনি বলেন, দিনভর তাঁরা কেন নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, তা জানার চেষ্টা করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি কোনো রাজনৈতিক পদ-পদবিতে ছিলেন না। তারপরও কেন নিয়োগপত্র পাননি, তা তিনি জানেন না।
ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বুধবার রাতে ২০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজনের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। নিয়োগপত্র পাওয়া ২০ জন বৃহস্পতিবারই কাজে যোগ দেবেন।