আজ ২৩ সেপ্টেম্বর। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাবে এ দিন সূর্য বিষুবরেখা অতিক্রম করায় উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান থাকে। এ ঘটনাকে বলা হয় **‘শরৎ বিষুব’**।
বিষুবের সময় সূর্য পৃথিবীর বিষুবরেখার ওপর অবস্থান করে। ফলে দুই গোলার্ধ প্রায় সমান পরিমাণ সূর্যালোক পায়। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে দিনের আলো ও রাতের সময় কাছাকাছি সমান হয়ে আসে।
রয়্যাল মিউজিয়ামস গ্রিনিচের তথ্য অনুযায়ী, ব্রিটিশ সময় ২৩ সেপ্টেম্বর ভোর ১টা ৬ মিনিটে বিষুব সংঘটিত হয়েছে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী এর সময় সকাল ৬টা ৬ মিনিট।
তবে দিন ও রাত বাস্তবে ঠিক ১২ ঘণ্টা করে হয় না। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সূর্যের আলো কিছুটা বেঁকে যাওয়ার কারণে সূর্য ওঠার আগেই আলো দেখা যায় এবং অস্ত যাওয়ার পরও কিছু সময় আলোকিত থাকে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন করে শরৎ ঋতু শুরু হচ্ছে না। বাংলা ঋতুচক্র অনুযায়ী দেশে এরই মধ্যে শরৎকাল চলছে। ‘শরৎ বিষুব’ মূলত উত্তর গোলার্ধের জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঋতুচক্রের সঙ্গে সম্পর্কিত।
বিষুবের পর উত্তর গোলার্ধে দিনের সময় ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। তবে এর ফলে সঙ্গে সঙ্গে শীতের আবহাওয়া শুরু হবে না; ঋতু ও আবহাওয়ার পরিবর্তন ধীরে ধীরে ঘটে।
বৈজ্ঞানিক গুরুত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্কৃতিতেও বিষুবের আলাদা তাৎপর্য রয়েছে। যুক্তরাজ্যের স্টোনহেঞ্জে প্রতিবছর এ উপলক্ষে অনেক মানুষ জড়ো হয়ে সূর্যোদয় দেখেন।