1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজধানীতে দুই শতাধিক চেকপোস্ট, তল্লাশি জোরদার জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরকারের বিরুদ্ধে নয়, দেশের স্বার্থে সংস্কার চাই: কর্নেল অলি হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না: শফিকুর রহমান ইমদাদুল হক মিলনকে সংবর্ধনা দিল গৌরীপুর প্রেসক্লাব মালয়েশিয়ায় জাকির নায়েকের সঙ্গে আজহারির সাক্ষাৎ, পেলেন ‘কিসওয়াতুল কাবা’ আতর উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন, ৬ জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি ভারতে পলাতক আসামিরা যেন অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে না পারে: ভারতীয় হাইকমিশনারকে মাহদী আমিন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অডিও নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি ক্লোজড সংসদের প্রথম তিন অধিবেশনে ব্যয় প্রায় ৭০৩ কোটি টাকা

জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গ্যাস সংকটের মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কূপটির উদ্বোধনের পর সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) কর্মকর্তারা জানান, তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খননকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত কূপটি উদ্বোধন করবেন। প্রায় ১৩ হাজার ফুট গভীর কূপটি খননে কয়েক মাস সময় লেগেছে।

এদিকে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ থেকেও গ্যাস উত্তোলনের প্রস্তুতি চলছে। তিতাস-২৯ নম্বর কূপের মূল খননকাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে লগিংসহ আনুষঙ্গিক কাজ চলছে। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে কূপটি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হতে পারে। সেখান থেকে দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিতাস-৩০ নম্বর কূপের কাজও এগিয়ে চলছে। আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে এর কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই কূপ থেকেও দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

তিতাস-৩১ নম্বর কূপের খননকাজ শুরু হয় গত ১৯ এপ্রিল। এরই মধ্যে কূপটির গভীরতা প্রায় ৪ হাজার ৯২০ মিটারে পৌঁছেছে। এর লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার ৬০০ মিটার। ভূতাত্ত্বিক জটিলতা না হলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে খননকাজ শেষ হতে পারে। কূপটি সফল হলে দৈনিক প্রায় ১৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

তিতাস-৩১-এর কাজ শেষ হওয়ার পর বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের ১১ নম্বর গভীর কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। খনন ও পরীক্ষা সফল হলে এই কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে।

বিজিএফসিএলের হিসাব অনুযায়ী, তিতাসের ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ থেকে সর্বোচ্চ ৪৫ মিলিয়ন এবং বাখরাবাদ-১১ নম্বর কূপ থেকে প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিতাস-২৮ নম্বর কূপের ১২ মিলিয়ন ঘনফুটসহ পাঁচটি কূপ থেকে দৈনিক সর্বোচ্চ ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি