1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কোরবানির জন্য প্রায় এক কোটি পশু প্রস্তুত, সংকটের আশঙ্কা নেই: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু সুনামগঞ্জে তিন স্কুলে গিয়ে শিক্ষকশূন্য শ্রেণিকক্ষ পেলেন এমপি ওমানে একই গাড়িতে মিলল চট্টগ্রামের ৪ প্রবাসী ভাইয়ের মরদেহ চোখে লাগা গুলি মাথায় আটকে, ৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে না ফেরার দেশে রেশমী ২০২৭ সালের এসএসসি ৩১ ডিসেম্বর শুরু হতে পারে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে সড়কে ঝরল ভূমি কর্মকর্তার প্রাণ দুর্গাপুর পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মুক্তাগাছায় ৩৫ লাখ টাকা চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার ২, উদ্ধার ২১ লাখ গৌরীপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক সুরেশ কৈরীর স্মরণসভা

ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মৃত শিশুটির নাম আয়ান (১৫)। সে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বাসিন্দা মো. পারভেজ মিয়ার ছেলে। গত ৫ মে হামের লক্ষণ দেখা দিলে তাকে হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। পরে বুধবার (১৩ মে) রাত ১১টা ১৫ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান জানান, শিশুটি শুধু হাম নয়, অন্যান্য শারীরিক জটিলতায়ও ভুগছিল। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে নতুন করে আরও ২৪ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১০২ জন শিশু।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৭ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ১ হাজার ৩১৭ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ হাজার ১৮৩ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল ছেড়েছে আরও ১৭ শিশু।

এদিকে ময়মনসিংহ জেলা থেকে পরীক্ষার জন্য পাঠানো ৪৭৬টি নমুনার মধ্যে ১২৩ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে হাসপাতালের শিশু বিভাগে হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তি শুরু হয়। মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালটিতে ৬৪ শয্যার আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। সেখানে তিনটি মেডিকেল টিম দায়িত্ব পালন করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি