1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না’ বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী আমরা আজ নব্য স্বৈরাচারের গন্ধ পাচ্ছি : শহীদ ফাইয়াজের বাবা যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বৃষ্টিও মারা গেছেন সিলেট-ময়মনসিংহে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাস ভাড়া বাড়ানো হয়নি, সমন্বয় করা হয়েছে : পরিবহনমন্ত্রী

শেরপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০২২

শেরপুরে যৌতুকের দাবি পূরণ না হওয়ায় নির্যাতনে স্ত্রীকে হত্যার মামলায় ফুরকান আলী (৩৬) নামের এক ব্যক্তিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ফুরকান আলী শ্রীবরদী উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের চেল্লাকান্দি এলাকার ময়দান আলীর ছেলে। মামলার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।

রায়ে একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর তিন আসামি ফুরকানের বাবা ময়দান আলী, মা ফুলেতন বেগম ও আত্মীয় সওদাগর আলীকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু। মামলার নথির বরাত দিয়ে তিনি জানান, শ্রীবরদী উপজেলার বড়গেরামারা এলাকার আব্দুল জব্বারের মেয়ে জহুরা বেগমকে বিয়ে করেছিলেন রানীশিমুল ইউনিয়নের চেল্লাকান্দি এলাকার ফুরকান আলী। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে জহুরা বেগমকে নির্যাতন করে আসছিলেন ফুরকান। এক সন্তানের জননী জহুরাকে ২০১১ সালের ২ জুলাই রাতে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যা করেন ফুরকান। এরপর লাশ ঘরের ধর্নার সঙ্গে ঝুঁলিয়ে রাখেন। এ ঘটনায় পরদিন ফুরকান আলী, তাঁর বাবা-মা ও দুই আত্মীয়সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে শ্রীবরদী থানায় মামলা করেন জহুরার বড় ভাই ফজলুল হক।

পরে তদন্ত শেষে একই বছরের ২০ নভেম্বর ফুরকানের আত্মীয় আজিজুর রহমান ছাড়া বাকি চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন শ্রীবরদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল আমিন খান। অভিযুক্ত ময়দান আলী হাজির হয়ে বিচারের মুখোমুখি হলেও অপর তিন আসামিই পলাতক থাকেন। ফলে মামলার বিচার নিষ্পত্তিতে সৃষ্টি হয় দীর্ঘসূত্রতা। মামলায় চূড়ান্ত পর্যায়ে বাদী, চিকিৎসক ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১(ক) ধারায় আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ফুরকান আলীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আদালতের বিচারক।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি