1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘ফ্যাসিস্টদের নাম আমরা উঠিয়ে দেব, নো কমিউনিটি ক্লিনিক’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় নাহিদ-আফসানা ও দুই সন্তান শাকিল হত্যা মামলা: গুরুদাসপুর থানার পরিদর্শক প্রত্যাহার ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে, উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব আইইডিসিআর পরিচালককে নিজ কার্যালয়ে মারধরের অভিযোগ ফেসবুক লাইভের বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা, ৫০০ টাকার বন্ডে জামিন পেলেন সাথী আক্তার বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদতবার্ষিকী আজ ‘না বুঝে ভুল করেছি’, ফেসবুক লাইভে ক্ষমা চেয়ে শ্যালিকাকে তালাকের ঘোষণা বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের ডাইনিংয়ের ভাতে সেদ্ধ টিকটিকি, শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ

টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড
মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় নাহিদ-আফসানা ও দুই সন্তান

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নাহিদুর রহমান, তাঁর স্ত্রী আফসানা মতিন তানজী এবং তাঁদের দুই শিশু সন্তান রোজাইনা ইনায়া ও মুনাইনা ইহানার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ৩টার দিকে যশোরের মনিরামপুর পৌর এলাকার মোহনপুর গ্রামের বাঁধাঘাট ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন করা হয়। পরিবারের চার সদস্যকে পাশাপাশি কবরে শায়িত করা হয়েছে নাহিদুর রহমানের মায়ের কবরের পাশে।

একসঙ্গে পরিবারের চার সদস্যকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন স্বজনেরা। তাঁদের বাড়িতে এখন শুধুই কান্না আর শূন্যতা। মোহনপুর গ্রামের স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। শোকের ছায়া নেমে এসেছে প্রতিবেশীদের মধ্যেও।

নিহত নাহিদুর রহমানের বড় ভাই জাহিদুর রহমান জানান, গত ১৭ অক্টোবর সকাল ৭টার দিকে কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগার পর থেকে তাঁর ছোট ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী ও দুই সন্তানের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ওই দিনই রিসোর্টের একটি কক্ষ থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরদিন স্বজনেরা কক্সবাজারে গিয়ে মরদেহগুলো তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বলে ধারণা করেন। তবে আগুনে পুড়ে যাওয়ায় চেহারা দেখে পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। পরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে চারজনের পরিচয় শনাক্ত হয়। দীর্ঘ অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে। ওই দিন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গ থেকে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মরদেহ হস্তান্তরের সময় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমানসহ জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিহতদের চাচাতো ভাই খালিদ হোসেন জানান, মরদেহ গ্রহণের সময় পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দাফনের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

বুধবার ভোরে অ্যাম্বুলেন্সে করে চারজনের মরদেহ গ্রামের বাড়ি মোহনপুরে পৌঁছায়। তাঁদের দাফনের জন্য নাহিদুর রহমানের মায়ের কবরের পাশে পাশাপাশি চারটি কবর খোঁড়া হয়। পরে জানাজা শেষে সেখানেই তাঁদের সমাহিত করা হয়।

একটি অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের চারটি প্রাণ ঝরে যাওয়ার ঘটনায় শোকাহত মোহনপুরের মানুষ। মায়ের কবরের পাশে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন নাহিদুর রহমান।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি