1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সুস্থতার পথে মির্জা আব্বাস, শিগগিরই দেশে ফেরার আশা জলাবদ্ধতায় হাঁটু পানি, বেঞ্চে পা তুলে এসএসসি পরীক্ষা কুমিল্লায় শাহজালালে নিরাপত্তা ভেঙে রানওয়ের কাছে যুবক, আটক চট্টগ্রামে পরিত্যক্ত ট্রেনের দুই বগিতে আগুন, দেড় ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণ রূপপুরে জ্বালানি লোডিং শুরু, পারমাণবিক শক্তির যুগে বাংলাদেশের পদার্পণ এসএসসি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে ধরা, তরুণের এক বছরের কারাদণ্ড দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই, ‘শব্দটি আগে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হতো’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দেশজুড়ে কালবৈশাখীর আশঙ্কা, ৮ বিভাগে সতর্কতা চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, সাগরে নৌযান চলাচলে সতর্কতা প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক

ময়মনসিংহের উজ্জল হত্যা: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৬ জনের যাবজ্জীবন

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০২২

জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে ময়মনসিংহের ধোবাউড়ার বতিহালা গ্রামের ব্যবসায়ী মো. উজ্জল মিয়া হত্যা মামলায় তিন জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক মো.মনির কামাল এই রায় ঘোষণা করেন। ৯ বছর আগে ২০১৩ সালের ২৭ মার্চ এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল।

মামলাটিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় ৪ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, নওশাদ, শাহাবুদ্দিন এবং সবুজ। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মরন, মহিম, কারিম, জসিম মিয়া হোসেন এবং জালাল উদ্দিন। দণ্ডের পাশাপাশি সব আসামিকে ২০ টাকার অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

ইসলাম, এমদাদুল, কুদরত আলী ও হাছেন আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে। আসামি রশিদ মামলার বিচার চলাকালে মারা যান।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, উজ্জল মিয়ার সাথে আসামিদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। ২০১৩ সালের ২৭ মার্চ রাত ৯টার দিকে পাশের এলাকা থেকে বার্ষিক দোলযাত্রা মেলা থেকে মোটরসাইকেলে ফিরছিলেন উজ্জল মিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন নজর আলী ও কালাম। বতিহালা এবতেদায়ী মাদরাসার কাছে পৌঁছালে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উজ্জলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাকে মারাত্মক জখম করে, দুই পা ভেঙে দেয়।

উজ্জল ও সঙ্গীয়দের ডাক চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়। উজ্জলকে ধোবাউড়া হাসপাতালে ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ৩০ মার্চ ধোবাউড়া থানায় হত্যা মামলা করা হয়। মামলাটিতে ২০১৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দেন সিআইডির সাব-ইন্সপেক্টর পরিমল চন্দ্র সরকার।

মামলার বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সংশ্লিষ্ট আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউর মাহবুবুর রহমান। আসামিদের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী কাজী মো. নজীব উল্লাহ হিরু, এম.এ ছালাম প্রধান।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি