1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সরকার-বিরোধী দলের ন্যূনতম ঐক্য না থাকলে রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে: রিজভী জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি ৯ লাখ টাকায় আপসের দাবি, কিশোরের জামিন আবেদন নেত্রকোণার ৪৭ নেতাকর্মীকে নিজ খরচে ওমরাহে পাঠালেন লুৎফুজ্জামান বাবর হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে এক রাতে আটক ৬২৪ আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির রাজধানীতে সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার হাতিয়ায় ‘রাজা ইলিশ’ বিক্রি ১০ হাজার ৯০০ টাকায় কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ইয়াসের খানের

এক বছরে বোয়িংয়ের ২৫ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ
জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বহর সম্প্রসারণে একই বছরে দ্বিতীয় দফায় বোয়িংয়ের সঙ্গে উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। নতুন চুক্তিতে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর ফলে ২০২৬ সালে মার্কিন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে বিমানের মোট ক্রয়াদেশ দাঁড়াল ২৫টি উড়োজাহাজে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে নতুন এই চুক্তি সই হয়। চুক্তি অনুযায়ী পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ কিনবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বিকেলে বোয়িংয়ের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন। বিমানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন বোর্ড চেয়ারম্যান রুমি এ. হোসেন।

চুক্তি স্বাক্ষরের সময় বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ উপস্থিত ছিলেন।

বিমান চেয়ারম্যান রুমি এ. হোসাইন বলেন, নতুন এই চুক্তি বিমানের বহর ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জাতীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন হিসেবে দেশের জনগণ, প্রবাসী, ব্যবসা ও পর্যটনের যোগাযোগের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই ক্রয়াদেশ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

বর্তমানে বিমান আন্তর্জাতিক রুটে বোয়িং ৭৮৭, ৭৭৭ এবং ৭৩৭ নেক্সট-জেনারেশন উড়োজাহাজ পরিচালনা করছে। এসব উড়োজাহাজের মাধ্যমে বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপের বিভিন্ন প্রধান হাবের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে।

বোয়িংয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন বলেন, নতুন ক্রয়াদেশটি বিমানের বহর ও সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তার দাবি, অতিরিক্ত ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ও ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজ জ্বালানি সাশ্রয়, বহুমুখিতা ও নির্ভরযোগ্যতার ক্ষেত্রে বিমানকে সুবিধা দেবে।

এর আগে ২০২৬ সালের এপ্রিলে বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছিল বিমান। ওই চুক্তিতে ছিল আটটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে মাত্র একটি উড়োজাহাজ নিয়ে যাত্রা শুরু করা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ইতিহাসে একসময় সর্বোচ্চ ২১টি উড়োজাহাজের বহর ছিল। চলতি বছরের দুই দফার ক্রয়াদেশ মিলিয়ে সেই সংখ্যার চেয়েও বেশি—মোট ২৫টি নতুন উড়োজাহাজের অর্ডার দেওয়া হলো।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি