1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ডিসেম্বরের আগেই গঙ্গা চুক্তি, মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজের কাজ দৃশ্যমান: পানিসম্পদ মন্ত্রী লিফট চালু থাকলেও সিঁড়ি দিয়ে ছয়তলায় নেওয়া হয়েছে: আদালতে পলকের অভিযোগ আতপ চালের চাহিদা ও ভোগ নিয়ে দেশজুড়ে গবেষণা জরুরি: খাদ্যমন্ত্রী বিকেলে আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী সিজারের পর পেটে গজ রেখে সেলাই, ছয় মাস পর প্রসূতির মৃত্যু নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত, তবে কমিটি দেবে কি না জানি না: ট্রাম্প ধামরাইয়ে বাস-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে চালক নিহত মানসিক রোগীকে হাতকড়া পরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় রিহ্যাবের দুই কর্মী আটক সড়কে চাঁদাবাজি ও অনিয়ম ঠেকাতে নতুন কমিটি কাজ করবে: রিজভী ধর্ষণচেষ্টার মিথ্যা মামলা, বাদী ও সাক্ষী স্বামীকে ৩ বছরের কারাদণ্ড

আতপ চালের চাহিদা ও ভোগ নিয়ে দেশজুড়ে গবেষণা জরুরি: খাদ্যমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আতপ চালের ব্যবহার, চাহিদা ও ভোগের ধরন সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ খাদ্যনীতি প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি। তিনি বলেছেন, গবেষণালব্ধ তথ্য খাদ্য পরিকল্পনাকে আরও কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক করতে সহায়তা করবে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ঢাকায় খাদ্য অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ হলরুমে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) আয়োজনে ‘A Study on the Consumption and Demand for Non-aromatic White Rice (Atap Chal) in Selected Areas of Bangladesh’ শীর্ষক গবেষণার ইনসেপশন ওয়ার্কশপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষের জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এ জন্য শুধু খাদ্যের মজুদের দিকে নজর দিলেই হবে না; মানুষের প্রয়োজন, খাদ্যাভ্যাস, পছন্দ এবং পুষ্টিগত চাহিদার বিষয়ও খাদ্য পরিকল্পনায় বিবেচনায় রাখতে হবে।

আতপ চালের ব্যবহার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘদিনের খাদ্যসংস্কৃতির অংশ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের পিঠা ও ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরিতে এ চাল ব্যবহারের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকার তথ্যের পাশাপাশি সারা দেশে আতপ চালের ভোগ ও চাহিদার চিত্র জানা প্রয়োজন।

আতপ ও সিদ্ধ চালের পুষ্টিগত পার্থক্য নিয়েও গবেষকদের কাছে জানতে চান খাদ্যমন্ত্রী। চাল প্রক্রিয়াজাত ও সিদ্ধ করার বিভিন্ন পর্যায়ে পুষ্টিমান কীভাবে পরিবর্তিত হয় এবং কোন প্রক্রিয়ায় পুষ্টি তুলনামূলকভাবে বেশি সংরক্ষিত থাকে, সে বিষয়ে গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।

ওয়ার্কশপে আলোচকরা জানান, চালের তুষ ও ভুসির স্তর অতিরিক্ত পালিশের মাধ্যমে অপসারণ করলে কিছু ভিটামিন ও খনিজের পরিমাণ কমে যেতে পারে। আবার ধান সিদ্ধ করার প্রক্রিয়ায় কিছু পুষ্টি উপাদান চালের শাঁসে স্থানান্তরিত হওয়ায় সিদ্ধ চালে নির্দিষ্ট কিছু পুষ্টি তুলনামূলকভাবে বেশি সংরক্ষিত থাকতে পারে। রান্নার সময় অতিরিক্ত পানি ব্যবহার ও তা ফেলে দেওয়ার কারণেও পানিতে দ্রবণীয় কিছু পুষ্টি উপাদান কমে যেতে পারে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এমপি। সভাপতিত্ব করেন খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। স্বাগত বক্তব্য দেন এফপিএমইউ-এর মহাপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান।

গবেষণার কনসেপ্ট নোট ও প্রাথমিক বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন এফপিএমইউ-এর সহযোগী গবেষণা পরিচালক মো. মাহিনুর ইসলাম।

ওয়ার্কশপে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খুলনা ও সিলেটের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

আলোচনায় আতপ চালের ভোগের ধরন, ভোক্তার পছন্দ, অঞ্চলভেদে চাহিদার পার্থক্য, পুষ্টিমান এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা নিরূপণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। বক্তারা বলেন, এসব তথ্য খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি পরিকল্পনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ খাদ্যনীতি প্রণয়নেও সহায়ক হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি