সুপ্রিম কোর্টের রেফারেন্সের আলোকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ ও গঠন প্রক্রিয়া বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে প্রধান
জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাকাণ্ড পরিচালনায় সহায়তার অভিযোগে এবার ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ঠিকঠাক সময়ে এজলাসে হাজির আইনজীবীরা। আসামিদেরও তোলা হয় কাঠগড়ায়। গুরুত্বপূর্ণ মামলা হওয়ায় সাংবাদিকরাও করছেন অপেক্ষা। শুরু হয়ে যায় শুনানি। কিন্তু এর মধ্যেই রাষ্ট্রের খরচে নিয়োগ পাওয়া এক আইনজীবীর অনুপস্থিতি নজরে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় আদালত অবমাননার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে লিখিতভাবে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফজলুর রহমান। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে র্যাবের টিএফআই সেলে বিরোধী মতাদর্শের লোকদের গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি শেষ করেছে প্রসিকিউশন।
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টানা ১৬ বছরের শাসনামলে টিএফআই সেলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সেনাবাহিনীর ১০ কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছে। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ
দশম জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সাবিনা আক্তার তুহিন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্সের ছাত্রী। আসন্ন তৃতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষায় পড়াশোনার জন্য কারাগারে বই চেয়ে আবেদন করেছেন তিনি। আবেদন
বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে পক্ষভুক্ত হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর)
ক্ষমতার অপব্যবহারসহ জালিয়াতির মাধ্যমে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ নেওয়ায় দুদকের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় শেখ রেহানাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায়
বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্বাহী বিভাগ থেকে পুরোপুরি পৃথক হলো বিচার বিভাগ। রোববার (৩০ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির নির্দেশে