1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ খাদ্যমন্ত্রীর রায়হান হত্যা মামলায় এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, নারিতায় আটকে আছে উড়োজাহাজ পাঠ্যবই ছাপায় অসংগতি, মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করলেন প্রতিমন্ত্রী দুই মাসের মধ্যে অগ্রগতি না হলে ওয়াসার ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ৬ ঘণ্টা ধরে বন্ধ ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ তাহসিফ সাউরির মৃত্যু: তদন্তের আগে মন্তব্য নয়, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ৪ ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ৩৩ শতাংশ জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, খান-আলী-আতার আমৃত্যু কারাদণ্ড

খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার তাগিদ খাদ্যমন্ত্রীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

দেশের খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করতে খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়ানো এবং গুদামগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের উপযোগী টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে খাদ্য অধিদপ্তর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী। খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বৃদ্ধি, খাদ্য গুদামের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নির্মাণকাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে এদিন খাদ্য অধিদপ্তর ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। এ লক্ষ্য অর্জনে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুতের পাশাপাশি গুদামগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, গুদাম নির্মাণের পরিকল্পনায় পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল, খাদ্যশস্যের গুণগত মান অক্ষুণ্ন রাখা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। যেসব অঞ্চলে খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেশি, সেসব এলাকায় সংরক্ষণ অবকাঠামো নির্মাণে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

বিদ্যমান গুদাম সংস্কার ও উন্নয়নের পাশাপাশি নতুন স্থাপনা নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান খাদ্যমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, যুদ্ধ এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় রেখে সম্ভাব্য খাদ্যসংকট মোকাবিলায় পর্যাপ্ত মজুত গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত মজুত ও সুষ্ঠু বিতরণব্যবস্থা খাদ্যনিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে পরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ এবং চলমান প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ে গুণগত মান বজায় রেখে বাস্তবায়ন করা জরুরি।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মনজুর বলেন, সরকারি স্থাপনার স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। খাদ্য অধিদপ্তরের অবকাঠামো উন্নয়নে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা কমানো ও কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে ড্যাশবোর্ডভিত্তিক ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, দুই অধিদপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগে খাদ্য গুদাম নির্মাণ, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। এতে খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি অপচয় কমানো এবং দেশের খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাদ্যসচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। বক্তব্য পর্ব শেষে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসীম উদ্দিন খান এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। পরে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানমের উপস্থিতিতে তাঁরা স্বাক্ষরিত স্মারক বিনিময় করেন।

এ সময় খাদ্য অধিদপ্তর ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয় ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি