1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
যুগ্ম-সচিব পদে ১৭২ কর্মকর্তার পদোন্নতি সুনামগঞ্জে পর্যটক ও হাউসবোট মালিকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা চট্টগ্রামে বুকসমান পানি পেরিয়ে প্রসূতিকে উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস ধোবাউড়ায় নিছামনি ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড বগুড়ায় হবে ড্রোন নির্মাণ কারখানা : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম কোনোভাবেই আমি প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু না : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বান্দরবান ও কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ৭ জনের মৃত্যু সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চট্টগ্রামের সারোয়ার আলমগীর এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারবেন : হাইকোর্ট বাংলাদেশি ভেবে পুশইন, এক বছর পর দেশে ফিরলেন চার ভারতীয়

ধোবাউড়ায় নিছামনি ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় পাঁচ বছর বয়সী শিশুকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর নদীর পানিতে চুবিয়ে হত্যার মামলায় তিন তরুণের মৃত্যুদণ্ড ও এক কিশোরকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার ২৫ দিনের মধ্যে বিচারিক কার্যক্রম শেষে আজ বৃহস্পতিবার পৃথক আদালত থেকে এ রায় দেওয়া হয়।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ময়মনসিংহ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সুদীপ্তা সরকারের আদালতে আসামী আরিফ মিয়া (১৯), রাকিব মিয়া (২১) ও মো. সাঈম মিয়ার (১৯) উপস্থিতে রায় ঘোষণা করা হয়।
তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে ২ লাখ টাকা করে অর্থদন্ডের আদেশও দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলার শুনানি পরিচালনা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) বজলুল করিম চৌধুরী এবং আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন সরকার।

​অন্যদিকে, এই মামলার অপর অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি (মারুফ মিয়া) দশম শ্রেণির ছাত্রের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম.এল.বি মেছবাহ উদ্দিন আহমেদের আদালতে এ শিশুর রায় দেওয়া হয়। আদালত অভিযুক্তকে ১০ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, ১৪ জুন বিকেলে নিজ বাড়ির পাশ থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুটি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাননি। পরে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে শিশুটির বাড়ি থেকে ৫০০ গজ দূরে স্থানীয় লোকজন কংস নদের বাঁকে তল্লাশি চালিয়ে শিশুটির মরদেহ নদীর তলদেশে পুঁতে রাখা অবস্থায় খুঁজে পান। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন। রাতেই মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি হিসেবে গোসল করাতে নেওয়া হয়। তখন শিশুটির শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে ক্ষত দেখা যায়। ওই অবস্থায় দাফনের প্রস্তুতি বন্ধ রেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

পরদিন ১৫ জুন রাতে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এনে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করলেও সন্দেহভাজন চার তরুণের নাম উল্লেখ করা হয়। পুলিশ চার তরুণকে গ্রেপ্তারের পর ধর্ষণ ও হত্যার রোমহর্ষ বর্ণনা পায়। পরে চারজন আসামিকে ময়মনসিংহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তনয় সাহার আদালতে তোলা হলে আসামিরা ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলায় পুলিশ দ্রুত অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার উদ্যোগ নেয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও ডিএনএ প্রতিবেদন পাওয়ার পর ২৩ জুন ৪ আসামির বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশ। আর উভয় পক্ষের শুনানী শেষে ঘটনার ২৫ দিনের মাথায় রায়ের দিল আদালত। রাষ্ট্র পক্ষে ১৯ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় এবং আসামি পক্ষে চারজন সাফাই স্বাক্ষী দেয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি