জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উদযাপনের লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ৭ নভেম্বর দিবসটি পালনের কর্মসূচি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফ এবং সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. নাজমুল করিম। এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভায় আগামী শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবসটি উপলক্ষে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে কর্মসূচি গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সভাপতি ও অন্যান্য বক্তা তাঁদের বক্তব্যে দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালনে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগ ও আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। নির্ধারিত কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে বলেও সভায় জানানো হয়।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে কেন্দ্র করে পালিত হয় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’। এ দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরে প্রতিবছর বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৭ নভেম্বরকে পুনরায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে দিবসটিকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত জাতীয় দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা এবং সরকারি ছুটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করে।
এরপর ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ৭ অক্টোবর জারি করা সরকারি প্রজ্ঞাপনে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।