1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘স্বপ্নের সেতু’ ঘিরে উত্তেজনা, বাউফলে অবরুদ্ধ সেতুমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাসকে দেখতে গেলেন জামায়াত সেক্রেটারি চিফ হুইপের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধিদলের বৈঠক, গুরুত্ব পেল গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃহস্পতিবার গাজীপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ১৬ ডিসেম্বর চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল সিলেট সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ গোলাগুলি; সতর্ক অবস্থান মতভেদ থাকলেও আ.লীগ প্রশ্নে সবাই এক : হাসনাত আবদুল্লাহ ঈদে ৭ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক, তবে ২৫-২৬ মে খোলা থাকছে যেসব এলাকায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গালিতে আমরা অভ্যস্ত হয়ে গেছি : সিইসি র‍্যাবের জন্য আসছে নতুন আইন, এলিট ফোর্স গঠনের ইঙ্গিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

‘স্বপ্নের সেতু’ ঘিরে উত্তেজনা, বাউফলে অবরুদ্ধ সেতুমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফলে লোহালিয়া নদীর ওপর প্রস্তাবিত ‘স্বপ্নের সেতু’ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে গিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনার মুখে পড়েন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর ১টার দিকে বগা ফেরিঘাটে পৌঁছান সেতুমন্ত্রী। পরে নদীর পূর্বপাড়ে আয়োজিত এক সভায় যোগ দিতে ফেরিতে করে সেখানে যান। ওই সভার আয়োজন করেন বাউফল আসনের জামায়াত সমর্থিত সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

মন্ত্রী পূর্বপাড়ে পৌঁছানোর পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি স্লোগান শুরু হয়। একপর্যায়ে বিভিন্ন দিক থেকে ঘিরে ফেলা হয় সেতুমন্ত্রীর গাড়িবহর। এতে তিনি প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা সেখানে আটকে থাকেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে সেতুমন্ত্রী একই ফেরিতে করে পশ্চিমপাড়ে ফিরে যান। পরে সেখান থেকে গাড়িবহর নিয়ে পটুয়াখালীর উদ্দেশে রওনা দেন।

ঘটনাস্থলে পটুয়াখালীর সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন বাউফলের এমপি ও জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, জামায়াত আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর অংশগ্রহণ ঠেকাতে বিএনপির নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেন। এ সময় বাউফল উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বড় উপস্থিতিও দেখা যায়।

তবে ঘটনাটি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বিএনপির স্থানীয় শীর্ষ নেতারাও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এড়িয়ে গেছেন।

উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ বলেন, সভাস্থলের ব্যানারে প্রধানমন্ত্রীর ছবি না থাকায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। এর জেরেই সেতুমন্ত্রীর গাড়িবহর আটকে দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, বাউফলের লোহালিয়া নদীর ওপর বাংলাদেশ-চীন নবম মৈত্রী সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা আগের সরকার আমলে নেওয়া হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর প্রকল্পটির অগ্রগতি থেমে যায়। পরে জাতীয় সংসদে সেতুর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে সেতুমন্ত্রীকে এলাকা পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান এমপি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি