1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মামুনুল হককে নিয়ে বিএনপি এমপির ও নিজের মন্তব্য এক্সপাঞ্চ করলেন স্পিকার ‘ভারত-বাংলাদেশ জুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক’ ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী কেউ বিশৃঙ্খলা করতে চাইলে তারা নিজেরাই ঝুঁকির মধ্যে পড়বে : র‍্যাব স্টেশন মাস্টারের ওপর হামলা, ব্রাজিল সমর্থক আটক তিনটি ইউনিয়নেরই নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মোহাম্মদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের মিছিলের চেষ্টা, আটক ১০ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক প্রশস্তের প্রস্তাব, সড়ক বিভাগের কাছে প্রতিবেদন চাইল পিএমও বেফাঁস মন্তব্যের জেরে খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারকে প্রত্যাহার

‘ভারত-বাংলাদেশ জুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক’

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি পাওয়া মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের কিলিং নেটওয়ার্ক ভারত-বাংলাদেশ জুড়ে ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আওয়ামী লীগের শাসনামলে শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে আজ গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন একজন সেনা কর্মকর্তা। তার জবানবন্দি এখনও চলমান রয়েছে। তিনি ট্রাইব্যুনালের সামনে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর বর্ণনা তুলে ধরেছেন।’

‘এর মধ্যে একটি ছিল জিয়াউলের জাফলং অপারেশন’— উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অর্থাৎ র‌্যাবের টিএফআই সেল থেকে দুজন আসামিকে নিয়ে জিয়াউলের নেতৃত্বে জাফলংয়ে গিয়েছিলেন সাক্ষীসহ আরও কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা। জাফলংয়ে যাওয়ার পর আরও দুজন আসামিকে নিয়ে আসেন ভারত থেকে আসা সাদা পোশাকের কিছু লোকজন। এরপর এসব আসামিকে বিনিময়ের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়।’

সাক্ষীর বিবরণ দিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ভারত থেকে আনা দুজনকে রাস্তায় মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করেন জিয়াউল আহসান। এভাবেই তিনি হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন। ভারতের লোকজনকে জিয়াউল আহসানের অনুসারীরাই হয়তো নিয়ে আসতেন। তারা কোনো দলের বা কোনো বাহিনীর হতে পারে।’

অর্থাৎ জিয়াউলের এই কিলিং নেটওয়ার্ক ভারত-বাংলাদেশজুড়ে ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তবে ভারত থেকে সাদা পোশাকে আসা লোকজন যে দুজন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করেছিলেন, তারা কি ভারতের নাকি বাংলাদেশের নাগরিক তা যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়নি।’

‘বিডিআরের বিভিন্ন সদস্যকে ধরে এনে দুটো পদ্ধতিতে হত্যা করেছেন জিয়াউল আহসান’—উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘এর মধ্যে কাউকে ইনজেকশন পুশ করে, আবার কাউকে মাথায় গুলি ঠেকিয়ে হত্যার পর নদীতে ফেলে দিতেন। এই দুই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০ থেকে ১২ জন বিডিআর সদস্যকে তিনি হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন সাক্ষী।’

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি