‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দিবসটির উদ্বোধন করেন তিনি। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআনসহ অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা হয়। এরপর বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে নির্মিত একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দিবসটির স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন।
অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের আগে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের প্রাঙ্গণে একটি স্বর্ণচাঁপা গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেচনিয়াক।
এদিকে বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের লবিতে তিন দিনব্যাপী আবাসন মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এ মেলায় আবাসন, নির্মাণ, ব্যাংকিং সেবা ও নগর পরিকল্পনাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।
মেলায় মোট ১৫৭টি স্টল রয়েছে। এসব স্টলে আবাসন ও নির্মাণ খাতের বিভিন্ন সেবা, নগর পরিকল্পনা এবং সংশ্লিষ্ট সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে দর্শনার্থীদের তথ্য দেওয়া হচ্ছে।
জাতিসংঘ ১৯৮৫ সালে অক্টোবরের প্রথম সোমবারকে বিশ্ব বসতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৮৬ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে নিরাপদ নগর ও মানসম্মত আবাসন বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
‘বাসস্থান আমার অধিকার’ প্রতিপাদ্যে কেনিয়ার নাইরোবিতে প্রথম বিশ্ব বসতি দিবস পালিত হয়েছিল। এরপর প্রতি বছর ভিন্ন প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।