1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সোনারগাঁয়ে ডাকাতের কবলে রফিকুল ইসলাম মাদানি পাঠ্যবইয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ বিতর্কের রেশ কাটেনি, এবার ‘নৌকা’ নিয়ে তোলপাড় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ২১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন গুলশানের কিংফিশার রেস্টুরেন্টে মধ্যরাতে অভিযান, জব্দ বিপুল পরিমাণ অ্যালকোহল জামালগঞ্জের আলোচিত এসিল্যান্ড শান্তকে সিলেটে বদলি প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার মো. তারেক চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন চারটি পাঠ্যবই অনুমোদন কিশোরগঞ্জে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৫ ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার ফেরার গুঞ্জন, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্টমার্টিন

পাঠ্যবইয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ বিতর্কের রেশ কাটেনি, এবার ‘নৌকা’ নিয়ে তোলপাড়

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগে পাঠ্যবইয়ের ছবি নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি ছাপার কাজের ধীরগতি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বইয়ে ‘প্রজ্ঞা’ বোঝাতে দাঁড়িপাল্লার ছবি ব্যবহারের বিতর্কের মধ্যেই প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের বাংলা, ইংরেজি ও বিজ্ঞান বইয়ে নৌকার ছবি নিয়ে আপত্তি উঠেছে। অন্যদিকে, মুদ্রণকাজে অগ্রগতি সন্তোষজনক না হওয়ায় আগামী জানুয়ারির মধ্যে সব শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছানো নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) তথ্য অনুযায়ী, মাধ্যমিক স্তরের মোট বইয়ের মাত্র ২৮ দশমিক ৩২ শতাংশের প্রি-ডেলিভারি ইন্সপেকশন (পিডিআই) সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য, নবম ও দশম শ্রেণির বই ছাপার কাজ সবচেয়ে ধীরগতিতে চলছে। অনেক মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানে এখনো কোনো বইয়ের পিডিআই হয়নি।

এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার পর্যন্ত প্রাক-প্রাথমিক স্তরের মোট ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ৬৪০টি বইয়ের মধ্যে ৫৬ লাখ ২৮ হাজার ১৫৩টি ছাপা ও বাঁধাই শেষ হয়েছে। পিডিআইয়ের পর মাঠপর্যায়ে পাঠানোর অনুমতি পেয়েছে ৫০ লাখ ৭০ হাজার ২৪০টি বই, যা মোট বইয়ের ৮৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

প্রাথমিকের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ৭ কোটি ৬০ লাখ ৭৯ হাজার ৯৯৬টি বইয়ের মধ্যে ৬ কোটি ২৮ লাখ ২ হাজার ৮টি ছাপা ও বাঁধাই শেষ হয়েছে। মাঠপর্যায়ে পাঠানোর অনুমতি পেয়েছে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৭৮ হাজার ৩৬০টি বই, যা মোট বইয়ের ৭১ দশমিক ১৬ শতাংশ।

ইবতেদায়ি স্তরের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ৪ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৫৭৪টি বইয়ের মধ্যে ২ কোটি ৫০ লাখ ৬০ হাজার ১২১টি ছাপা ও বাঁধাই শেষ হয়েছে। পিডিআই সম্পন্ন হয়েছে ১ কোটি ৯৫ লাখ ৫৬ হাজার ১৩৩টি বইয়ের, যা মোট বইয়ের ৪৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ।

অন্যদিকে, মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ১৭ কোটি ৯৫ লাখ ৪৩ হাজার ১৮টি বইয়ের মধ্যে ৭ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার ৬৬৫টি ছাপা ও বাঁধাই শেষ হয়েছে। পিডিআই সম্পন্ন হয়েছে ৫ কোটি ৮ লাখ ৪৩ হাজার ২৫২টি বইয়ের।

মুদ্রণসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ, পিডিআইয়ের আওতায় যত বই পরীক্ষা করা হয়েছে বলে দেখানো হচ্ছে, বাস্তবে সে পরিমাণ বই পরীক্ষা করা হয়নি। তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রেস মালিকদের যোগসাজশে পিডিআইয়ের সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানোর অভিযোগও করেছেন তাঁরা। এনসিটিবির একটি সূত্র জানায়, মাধ্যমিকের বই ছাপার কাজ পাওয়া ১১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্তত ৩০টি এখনো ঠিকমতো কাজ শুরু করেনি।

এদিকে, নিম্নমানের কাগজে বই ছাপার চেষ্টার অভিযোগে প্রায় ১০ লাখ ফর্মা নষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি বাতিল করা হয়েছে প্রাথমিক স্তরের ৩ হাজার ৩৩৪টি বই।

দাঁড়িপাল্লার পর নৌকার ছবি নিয়ে বিতর্ক

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বইয়ে ছবি নিয়ে বিতর্কের শুরু ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ের ‘নলেজ পিরামিড’ বা জ্ঞানের পিরামিডে ‘প্রজ্ঞা’ বোঝাতে দাঁড়িপাল্লার ছবি ব্যবহারের মধ্য দিয়ে। এ নিয়ে আপত্তি ওঠার পর সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠা সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয় এনসিটিবি।

এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ের মোট ৩৮ লাখ কপির মধ্যে ২০ লাখ ইতিমধ্যে বিদ্যালয়ে সরবরাহ করা হয়েছে। বাকি ১৮ লাখ কপি ছাপার কাজ চলছে। সরবরাহ করা বই ফিরিয়ে এনে বিতর্কিত পৃষ্ঠা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলমান মুদ্রণকাজেও প্রয়োজনীয় সংশোধন আনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

এনসিটিবির নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জ্ঞানের পিরামিডে উপাত্ত, তথ্য, জ্ঞান ও প্রজ্ঞা—এই চারটি স্তরের নাম থাকবে, তবে কোনো প্রতীক বা আইকন রাখা হবে না। সংস্থাটির সদস্য এ কে এম শওকত আলী খান জানান, আগামী বছর এভাবেই বই দেওয়া হবে। পরের বছর বিষয়গুলো আরও পরিমার্জন করা হবে, যাতে ভুল তথ্য না থাকে।

এনসিটিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিতর্কিত পৃষ্ঠা সংশোধনের কাজ প্রেস মালিকেরা নিজ খরচে করছেন। তবে সংশোধন কার্যক্রমে সরকারের অন্তত ৩ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা রয়েছে।

দাঁড়িপাল্লার ছবি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই এবার প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের বাংলা, ইংরেজি ও বিজ্ঞান বইয়ে নৌকার ছবি ব্যবহার নিয়ে আপত্তি উঠেছে। একটি পক্ষ বইগুলো সংশোধন বা বাতিলের দাবি জানিয়েছে। এসব বই নতুন করে ছাপতে হলে বিপুলসংখ্যক কপি পুনর্মুদ্রণ করতে হতে পারে।

তথ্য অনুযায়ী, প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বইয়ে মোট ৮২টি নৌকার ছবি রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণির ‘আমার বাংলা বই’-এ ৩৪টি, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২৩টি এবং তৃতীয় শ্রেণিতে ২৫টি ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, আইসিটি বইয়ে দাঁড়িপাল্লার ছবি নিয়ে বিতর্কের পর একটি বিশেষ পক্ষ প্রাথমিক স্তরের বইয়ে নৌকার ছবি নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে। তবে এসব ছবি এবার নতুন করে যুক্ত করা হয়নি; ২০২৫ ও ২০২৬ সালের বইয়েও একই ছবি ছিল বলে সূত্রটি জানিয়েছে। বইয়ের বিষয়বস্তুর প্রয়োজনেই ছবিগুলো ব্যবহার করা হয়েছে বলে তাদের বক্তব্য।

পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা চার শিক্ষকের নামও এসেছে এ প্রক্রিয়ায়। তাঁরা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, অধ্যাপক ড. এস এম হাফিজুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ড. নূর ই আলম সিদ্দিকী এবং অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, বিশেষজ্ঞ প্যানেল নির্বাচন, কর্মশালা আয়োজন ও ভেন্যু নির্ধারণসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের দায়িত্ব পালন করেন তাঁরা। তবে বিশেষজ্ঞ প্যানেল নৌকার ছবিগুলো নিয়ে কোনো আপত্তি বা পরিবর্তনের সুপারিশ করেনি বলে সূত্রটি জানিয়েছে। পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনের সমন্বয়ক অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ বলেন, তিনি এখনো বইটি পর্যালোচনা করার সময় পাননি; পর্যালোচনা শেষে বিস্তারিত জানাতে পারবেন।

দরপত্রে অনিয়মের অভিযোগ, পুনঃদরপত্রে সাশ্রয় প্রায় ৯ কোটি টাকা

পাঠ্যবই ছাপার দরপত্র প্রক্রিয়ায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রায় ২০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর অভিযোগ, একটি চক্র দরপত্রের প্রাক্কলিত দরসংক্রান্ত তথ্য ফাঁস করে একক দরদাতার মাধ্যমে কাজ বাগিয়ে নিয়েছে। এ ঘটনায় এনসিটিবির কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশ থাকার অভিযোগও রয়েছে।

এনসিটিবি সূত্র জানায়, কয়েকটি লটে একক দরদাতা অংশ নেওয়া, প্রয়োজনীয় যোগ্যতাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান না থাকা এবং বিকল্প দরদাতা না পাওয়ায় পুনরায় দরপত্র আহ্বান করতে হয়েছে।

ইবতেদায়ির প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির একটি, ষষ্ঠ শ্রেণির পাঁচটি, সপ্তম শ্রেণির ছয়টি, অষ্টম শ্রেণির দুটি এবং নবম শ্রেণির ২০টিসহ মোট ৩৪টি লটে পুনঃদরপত্র আহ্বান করা হয়।

পুনঃদরপত্রের মূল্যায়ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব লটে সর্বনিম্ন ৪ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২২ শতাংশ পর্যন্ত কম দর প্রস্তাব করা হয়েছে। ৩৪টি লটের মোট দাপ্তরিক প্রাক্কলিত দর ছিল ৬৭ কোটি ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৮ টাকা। অন্যদিকে, সুপারিশপ্রাপ্ত মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানগুলোর দর ছিল ৫৭ কোটি ৬৬ লাখ ৪৯ হাজার ৭৮৬ টাকা। এতে সরকারের ৯ কোটি ৩৬ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯১ টাকা সাশ্রয় হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রগুলোর অভিযোগ, দরপত্রের প্রাক্কলিত দরসংক্রান্ত তথ্য ফাঁস করে একটি চক্র ২০০ কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নিয়েছে। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এনসিটিবিতে অভিযান চালিয়ে নথিপত্র উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে।

দরপত্রের নথি অনুযায়ী, ৪৫টি দরপত্রের মধ্যে ৩০টিতে মাত্র একজন দরদাতা অংশ নেন। বাকি ১৩টিতে দুজন এবং দুটি দরপত্রে তিনজন করে দরদাতা প্রস্তাব জমা দেন। কয়েকটি দরপত্রে প্রাক্কলিত দর বাড়ানোর অভিযোগও রয়েছে।

দরপত্রের তথ্য ফাঁস ও সিন্ডিকেট-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কয়েকজন মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানের মালিকের নাম এসেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মুদ্রণ শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও অগ্রণী প্রেসের মালিক কাওসারুজ্জামান রুবেল, সরকার প্রেস ও বলাকা প্রেস অ্যান্ড পাবলিশিংসের মালিক দুলাল সরকার, প্রমা ও ব্রাইট প্রিন্টিং প্রেসের মালিক এস এম মহসিন, মোল্লা প্রেসের মিন্টু মোল্লা, কচুয়া প্রেসের হুমায়ুন কবির এবং কর্ণফুলী প্রিন্টার্সের মালিক হাসানুজ্জামান রবিন।

তবে অভিযুক্ত প্রেস মালিকেরা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তাঁরা বই ছাপার কাজে সিন্ডিকেট থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মুদ্রণ শিল্প সমিতির উপদেষ্টা তোফায়েল খান বলেন, বই ছাপার সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। তাঁর ভাষ্য, যোগসাজশের মাধ্যমে এনসিটিবিকে বিভিন্নভাবে ঠকানো হয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন। একই সঙ্গে পিডিআই সম্পন্ন হওয়া বইয়ের সব কপি মাঠপর্যায়ে যাচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

অন্যদিকে, এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেন, যেসব ভুলত্রুটি হচ্ছে, সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধন করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে মানসম্পন্ন বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিতে এনসিটিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অনিয়মে জড়িত কেউ ছাড় পাবেন না বলেও জানান তিনি।

সব মিলিয়ে পাঠ্যবইয়ের ছবি নিয়ে বিতর্ক, মুদ্রণকাজে ধীরগতি, নিম্নমানের কাগজ ব্যবহারের অভিযোগ এবং দরপত্রে অনিয়মের অভিযোগ নতুন শিক্ষাবর্ষের বই বিতরণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। নির্ধারিত সময়ে সব শিক্ষার্থীর হাতে মানসম্মত বই পৌঁছে দিতে এনসিটিবির মুদ্রণ কার্যক্রমের গতি ও তদারকি এখন গুরুত্বপূর্ণ।

 

সূত্রঃ কালবেলা

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি