1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
১১ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারেননি ৩ শিক্ষার্থীকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠকে বসছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার-সিইসি কী বার্তা দি‌তে হঠাৎ দি‌ল্লি গে‌লেন দীনেশ ত্রিবেদী? ‘নথি’ বলছে গভর্নিং বডির হাতে নিয়োগ, মন্ত্রীর দাবি ‘সিদ্ধান্ত হয়নি’ ময়মনসিংহে ৫ পরীক্ষার্থীর ৭ শিক্ষক, পাস করেনি কেউ কারামুক্ত আ.লীগ নেতাকর্মীদের বরণ করতে গিয়ে ফুলের মালাসহ আটক ৪ বাংলাদেশ চায় হাসিনা এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণ ত্বরান্বিত হোক ‘ছাদ থেকে পড়ে’ ছাত্রদল নেতার মৃত্যুর ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার খাতা পুনঃপরীক্ষণ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী

নারায়ণগঞ্জে পোশাক কারখানার স্টোররুমে এজিএমের ঝুলন্ত মরদেহ, শ্রমিকদের বিক্ষোভ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি পোশাক কারখানার স্টোররুম থেকে সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) পদে কর্মরত এক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কারখানাজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়নের বারৈভোগ এলাকায় অবস্থিত ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেডের স্টোররুম থেকে ইদ্রিস আলী (৪৩) নামে ওই কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ইদ্রিস আলী সোনারগাঁ উপজেলার গোয়ালদী এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কারখানাটিতে এজিএম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

পুলিশ জানায়, সকালে এক শ্রমিক স্টোররুমে ঢুকে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি কারখানা কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, সোমবার সন্ধ্যায় অফিস শেষে ইদ্রিস আলীর বাড়ি ফেরার কথা ছিল। সহকর্মীরা একাধিকবার ফোন করলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পরে অফিসের গাড়ি তাকে ছাড়াই চলে যায়।

তিনি আরও বলেন, যেই স্টোররুম থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সেটির তদারকির দায়িত্বও ইদ্রিস আলীর ওপর ছিল।

এদিকে নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তার দাবি করেছেন, তার স্বামী আত্মহত্যা করার মানুষ ছিলেন না। তিনি বলেন, “উনি নিয়মিত নামাজ পড়তেন এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করতেন। রাতে তাকে খুঁজে না পেয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে জানানো হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল তিনি সেখানে নেই। সকালে হঠাৎ মরদেহ উদ্ধারের খবর পাই।”

ঘটনার পরপরই কারখানার শ্রমিক ও সহকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তারা অভিযোগ করেন, ইদ্রিস আলীকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এ দাবিতে কারখানার সামনে বিক্ষোভও করেন শ্রমিকরা।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি