1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে মাটির নিচে ‌‘রহস্যময়’ সুড়ঙ্গ, ভেতরে মিলেছে বিছানা-বালিশ নদীর ঘাটে লুকানো ছিল ১৫ ব্যারেল তেল এসএসসির প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি গুজব, সিটিটিসির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ কাগজপত্রবিহীন চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে বলায় ইউএনওকে ধাওয়া ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না’ বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

নান্দাইলে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনা সত্যতা পেলেও মামলা রেকর্ড করেনি পুলিশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

ময়মনসিংহের নান্দাইলে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রী (১৪) ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকার কিছু মাতবর সালিস করে ধর্ষণের ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা চালান। কিন্তু কিশোরীর বাবা সালিস না মেনে মঙ্গলবার রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নান্দাইল থানা-পুলিশের এক কর্মকর্তা অভিযোগ তদন্ত করে প্রাথমিক সত্যতা পান। কিন্তু মামলাটি বুধবার রাতেও রেকর্ড করা হয়নি।

বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আকন্দ বলেন, ‘একজন পুলিশ কর্মকর্তা এলাকায় গিয়ে অভিযোগটি তদন্ত করেছেন। তবে এটি প্রেমঘটিত একটি বিষয়। তারপরও কিশোরী বা তাঁর পরিবার যদি ধর্ষণের অভিযোগে অনড় থাকে তাহলে মামলা রেকর্ড করা হবে।’

নান্দাইল উপজেলার গাঙ্গাইল ইউনিয়নের একটি গ্রামে ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর বাড়ি। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় নবম শ্রেণিতে পড়ে। কিশোরী ও তাঁর বাবা-মা ও ভাই বলেন, ১০ ফেব্রুয়ারি এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মো. মনির মিয়া (১৯) পেশায় ইজিবাইকচালক। তিনি মেয়েটিকে উত্ত্যক্ত করতেন। পরে কিশোরীর বাবা মনিরের পরিবারকে বিচার দেন। এতে মনির ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, ১০ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে নয়টার দিকে কিশোরী তাঁর বাবাকে রাতের খাবার খেতে ডেকে আনার জন্য প্রতিবেশী চাচার বাড়ির দিকে বের হন। পথিমধ্যে মনির তাঁর পথ আগলে দাঁড়ান। একপর্যায়ে তাঁকে ধরে কাছাকাছি থাকা এক পুকুরপাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় কিশোরী কান্না শুরু করলে মনির তাঁকে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দেন। এভাবে তখনকার মতো পরিস্থিতি সামাল দিয়ে মনির ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। কিশোরী সেখান থেকে বাড়ি ফিরে ঘটনাটি পরিবারের সবাইকে জানায়।

পরদিন কিশোরীর পরিবার এলাকার গণ্যমান্যদের কাছে বিচার চাইলে এলাকার মাতবরেরা সালিস বসিয়ে ধর্ষকের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেন। তাঁরা কিশোরীর বাবাকে মামলা করতে বারণ করেন। কিন্তু সালিসের সিদ্ধান্ত না মেনে কিশোরীর বাবা নান্দাইল মডেল থানায় মামলার চেষ্টা করে পরে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

এদিকে অভিযুক্ত মনির পলাতক। ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি