1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত বাকৃবির ১৩ শিক্ষার্থী এক বাড়ির সামনে ৪১ লাখ টাকার সেতু, উঠছে প্রকল্পের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন কৃষকের ছদ্মবেশে হাওরে পুলিশের অভিযান, হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার আদালতের নির্দেশে চেয়ারম্যান সেলিম খান ও ছেলে শান্তর মরদেহ উত্তোলন তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান চুনারুঘাটে এক দিনের ব্যবধানে দুই এএসআইয়ের বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানিয়ে মিছিলের মামলায় জামিনে মুক্ত শ্রমিকদল নেতা ‘পাঁচ, পাঁচ-ই লাগবে’ অডিও ছড়ানোর পর যুব অধিকার পরিষদের বহিষ্কৃত নেতা গ্রেপ্তার সুন্দরবন ঘেঁষে গড়ে ওঠা ১৮ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ দিল্লিতে বিক্ষোভের পর রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বিরোধী নেতারা আটক

এক বাড়ির সামনে ৪১ লাখ টাকার সেতু, উঠছে প্রকল্পের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফলে একটি বাড়ির সামনে নির্মিত ছোট একটি সেতুর ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। ১১ মিটার দীর্ঘ সেতুটির পেছনে সরকারি অর্থ থেকে খরচ হয়েছে ৪১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৯৯ টাকা।

বাউফল উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের মন্নান গাজী বাড়ির সামনে জামালকাঠি খালের ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মাণ শেষ হওয়ার পর এর প্রয়োজনীয়তা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয়ের পরিমাণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আলিফ হোসেনের অভিযোগ, মন্নান গাজী বাড়িতে একজন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বসবাস করেন। তার তদবিরের কারণেই বাড়িটির সামনে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে।

তার ভাষ্য, একটি বাড়ির বাসিন্দাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য এত বড় অঙ্কের সরকারি অর্থ ব্যয় করা সমীচীন হয়নি। ওই স্থানে তুলনামূলক কম ব্যয়ে একটি আয়রন ব্রিজ নির্মাণ করেও যোগাযোগের ব্যবস্থা করা সম্ভব ছিল বলে তিনি মনে করেন।

তবে সেতুটির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন মন্নান গাজী বাড়ির বাসিন্দা আবুল গাজী। তিনি জানান, বাড়িটিতে সাতটি ঘরে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন মানুষ বসবাস করেন। তাদের চলাচলের সুবিধার জন্যই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে এবং এটি নির্মাণের পর তারা উপকৃত হয়েছেন।

সেতুটির নির্মাণকাজ করেছেন ঠিকাদার মো. আমির হোসেন। প্রকল্পটি কীভাবে নির্বাচন করা হয়েছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তার জানার কথা নয়। টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ পাওয়ার পর তিনি নির্মাণকাজ শেষ করেছেন; প্রকল্প নির্বাচনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাই বলতে পারবেন।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার আগেই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ফলে প্রকল্পটি কীভাবে নির্বাচন করা হয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাতে পারেননি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটির আকার ও ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিবেচনায় নির্মাণ ব্যয় আরও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রকল্প বাছাইয়ের প্রক্রিয়া এবং সরকারি অর্থ ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

এ ঘটনায় সেতুটির প্রয়োজনীয়তা ও প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি