আজ ১১ অক্টোবর, আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। কন্যাশিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং লিঙ্গবৈষম্য দূর করার লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
এ উপলক্ষে বিভিন্ন দেশে সভা, সেমিনারসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। দিবসটি কন্যাশিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা এবং তাদের বিকাশের পথে বাধা দূর করার গুরুত্ব তুলে ধরে।
২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের প্রতিপাদ্য ‘এন্ড চাইল্ড ম্যারেজ অ্যান্ড ইনভেস্ট ইন গার্লস রাইটস’। বাংলায় এর অর্থ—‘বাল্যবিয়ে বন্ধ করুন এবং মেয়েদের অধিকার সুরক্ষায় বিনিয়োগ করুন’।
এ বছরের প্রতিপাদ্যে বাল্যবিয়ে বন্ধের পাশাপাশি কন্যাশিশুদের সার্বিক বিকাশে বিনিয়োগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, সামাজিক সুরক্ষা জোরদার, নিরাপদ পরিবেশ তৈরি এবং নেতৃত্বের বিকাশে সুযোগ সৃষ্টি।
নিজেদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠাও এবারের প্রতিপাদ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। কন্যাশিশুরা যেন বৈষম্য ও বাধার মুখে না পড়ে নিজেদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে পারে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের মূল লক্ষ্য হলো কন্যাশিশুদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষা, শিক্ষায় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং নারী-পুরুষের বৈষম্য দূর করা। পাশাপাশি তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে উৎসাহিত করাও দিবসটি পালনের উদ্দেশ্য।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর গৃহীত এক প্রস্তাবের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস ঘোষণা করা হয়। এরপর ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়। সেই থেকে প্রতিবছর কন্যাশিশুদের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।