1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
হজক্যাম্পে রিয়াল চুরি: গ্রেপ্তার ২, উদ্ধার সাড়ে ১৭ হাজার সৌদি রিয়াল মহান মে দিবস আজ: শ্রমিক অধিকারের লড়াইয়ের স্মরণে বিশ্বজুড়ে পালন বিমানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চুক্তি: ৩৭ হাজার কোটি টাকায় ১৪ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান ব্যয় কমাতে নতুন নির্দেশনা: অতিরিক্ত সচিবরা আর বিজনেস ক্লাসে ভ্রমণ করতে পারবেন না ফুলবাড়িয়ায় অবৈধ জ্বালানি বেচাকেনা: ট্যাংক লরি জব্দ, গ্রেপ্তার ৩ সাপের ছোবল খেয়ে জীবিত গোখরা নিয়েই হাসপাতালে যুবক ভালুকায় স্কুলে চুরি: কম্পিউটারসহ ৩ লাখ টাকার মালামাল উধাও সংসদে ঐক্যের ডাক: ‘পিঁপড়ার বলের মতো’ একসঙ্গে থাকার আহ্বান চিফ হুইপ মনির রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি নাহিদ ইসলামের তামিমের নেতৃত্বাধীন বিসিবি কমিটি নিয়ে হাইকোর্টে রিট

শিশু সামিউল হত্যা : মাসহ ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০

এক দশক আগে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নবোদয় হাউজিংয়ে ৫ বছরের শিশু খন্দকার সামিউল আজিম ওয়াফিকে হত্যার ঘটনায় তার মা আয়েশা হুমায়রা ওরফে এশা ও তার প্রেমিক শামসুজ্জামান বাক্কুর মৃত্যুদ-ের রায় দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি দুই আসামির প্রত্যেককে একটি ধারায় ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন বিচারক।

আজ রবিবার (২০ ডিসেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৩ জুন পরকীয়া প্রেমিক শামসুজ্জামান আরিফ ওরফে বাক্কুর সঙ্গে মায়ের অনৈতিক কোনো ঘটনা দেখে ফেলায় সামিউলকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এর পর মরদেহ গুম করতে ফ্রিজে লুকিয়ে রাখা হয়।

মরদেহটি বস্তায় ঢুকিয়ে পরদিন ২৪ জুন রাস্তায় ফেলে দেয়া হয়। একইদিন আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকা থেকে সামিউলের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সামিউলের বাবা কে এ আজম বাদী হয়ে আদাবর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

২০১২ সালের ২৫ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহান হক এশা ও বাক্কুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

মামলায় এ পর্যন্ত ২২ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। এতে এশা ও বাক্কু উভয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

এই মামলায় সামিউলের মা এশা জামিনে ছিলেন। গত ৮ ডিসেম্বর তিনি হাজির না হওয়ায় আদালত তার জামিন বাতিল করেন। অপরদিকে বাক্কু হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে পলাতক ছিলেন। বর্তমানে বাক্কু ও এশা দুজনই পলাতক।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি