1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নওগাঁয় ১২০ বস্তা সার পাচারের চেষ্টা, জব্দ করল প্রশাসন চীনের সঙ্গে ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ড. ইউনূসকে হেনস্তার অভিযোগে আওয়ামী লীগের সমালোচনা, রিজভীর নিন্দা টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১০ ইউনিট চুয়েটে আর না ফেরার শর্তে ক্যাম্পাস ছাড়লেন ভিসি এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলে ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী ৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিং, জুমার খুতবায় সচেতনতার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

চীনের সঙ্গে ঋণনির্ভরতা কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

উন্নয়ন প্রকল্পে চীনের ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে যৌথ ও সরাসরি বিনিয়োগ বাড়াতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে অর্থায়নের প্রচলিত কাঠামো পরিবর্তন করে অংশীদারত্বভিত্তিক বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির বিষয়ে চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার ফাঁকে চীনের এক্সিম ব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগিয়ে অর্থায়নের কাঠামোয় পরিবর্তন আনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত সার্বভৌম ঋণ ও অন্যান্য ঋণভিত্তিক অর্থায়নের ওপর যে নির্ভরতা রয়েছে, তা কমিয়ে ইকুইটি বা মালিকানাভিত্তিক বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন।

এ ক্ষেত্রে যৌথ বিনিয়োগ ও সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে দুই দেশের অংশীদারত্ব জোরদারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আমির খসরু বলেন, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে ঋণনির্ভর অর্থায়ন থেকে সরে বিনিয়োগের দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে চায়। শুধু ঋণ নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিবর্তে এমন ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন, যেখানে বিনিয়োগকারী ও বাংলাদেশ যৌথভাবে প্রকল্পের অংশীদার হবে।

তবে কোন কোন প্রকল্পে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে, বিনিয়োগের অনুপাত কী হবে কিংবা কবে থেকে নতুন অর্থায়ন কাঠামো কার্যকর হবে—সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আর্থিক সহায়তা প্রত্যাশা

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারির প্রতিনিধিদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে বাংলাদেশের ঋণ ব্যবস্থাপনা, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং অনুদানভিত্তিক আর্থিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

আমির খসরু বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ছে। দেশটি থেকে উড়োজাহাজ, জ্বালানি ও বিভিন্ন পণ্য আমদানির বিষয় তুলে ধরে বাংলাদেশের জন্য আর্থিক সহায়তা ও অনুদানের প্রয়োজনীয়তা আলোচনায় উপস্থাপন করা হয়েছে।

বাংলাদেশের আমদানি বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় নেওয়া পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও সহায়তা প্রত্যাশা করছে সরকার। এ বিষয়ে মার্কিন প্রতিনিধিরা একমত হয়েছেন বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তবে সম্ভাব্য সহায়তার পরিমাণ বা ধরন সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা তিনি জানাননি।

কৃষি খাতে সহযোগিতা নিয়ে ইফাদের সঙ্গে আলোচনা

অন্যদিকে, জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (ইফাদ) প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বাংলাদেশের কৃষি খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষি খাতে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তবে সম্ভাব্য সহায়তার পরিমাণ, প্রকল্প বা অর্থায়নের ধরন সম্পর্কে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি