1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চুয়েটে আর না ফেরার শর্তে ক্যাম্পাস ছাড়লেন ভিসি এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলে ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী ৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিং, জুমার খুতবায় সচেতনতার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ময়মনসিংহে বাস থেকে ৫ হাজার ৪০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ পূর্বাচল প্লট দুর্নীতির মামলায় রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের ১৪ বছরের কারাদণ্ড সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করতে পারে বিরোধী দল: ডেপুটি স্পিকার নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার নিরাপত্তাশঙ্কায় কারাগারে রেখেই জিয়াউল আহসানের বিচার রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ, ঢাকা থেকে বাতিল ৬১ ফ্লাইট; ভোগান্তিতে ৯ হাজারের বেশি যাত্রী

চুয়েটে আর না ফেরার শর্তে ক্যাম্পাস ছাড়লেন ভিসি

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে গেছে প্রশাসন ও পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের উপস্থিতিতে তাঁকে প্রশাসনিক ভবন থেকে বের করা হয়। পরে পুলিশি নিরাপত্তায় অ্যাম্বুলেন্সে করে ক্যাম্পাস ছাড়েন উপাচার্য।

তবে ক্যাম্পাস ছাড়ার আগে তাঁকে আর চুয়েটে ফিরে না আসার শর্ত দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। প্রশাসনিক ভবনের নিচে উপাচার্যকে নিয়ে আসার পর মাইকে এক শিক্ষার্থী ঘোষণা দেন, তাঁকে ক্যাম্পাস থেকে বের হতে দেওয়ার একমাত্র শর্ত হলো তিনি যেন আর ফিরে না আসেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পরে উপাচার্যকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হলে শিক্ষার্থীরা তাঁকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন। তাঁকে কোন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

যেভাবে অবরুদ্ধ হন উপাচার্য

সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৯টার দিকে চুয়েটের প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। তাঁর ক্যাম্পাসে প্রবেশের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উপাচার্য বহিরাগত ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এরপর তাঁর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন জোরদার করেন তাঁরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পদত্যাগ না করলে তাঁকে অবরুদ্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর থেকে নিজ কার্যালয়েই অবরুদ্ধ ছিলেন উপাচার্য।

দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থা

উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে চুয়েটে অচলাবস্থা চলছে। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। প্রথমে উপাচার্য ভবনে তালা দেওয়া হয়। পরে মুখোশ মিছিল ও চোখ বাঁধা প্রতিবাদ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।

একপর্যায়ে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাত্মক বন্ধের কর্মসূচি শুরু হয়। এদিকে নতুন উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশের প্রতিবাদে সোমবার শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি ঘোষণা করে। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মবিরতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

উদ্ধার অভিযানে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার

এ পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। তাঁদের উপস্থিতিতেই উপাচার্যকে প্রশাসনিক ভবন থেকে বের করে আনা হয়।

জেলা প্রশাসক বলেন, একজন সম্মানিত শিক্ষক তাঁদের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন এবং চিকিৎসার প্রয়োজনের কথা জানিয়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাঁরা ক্যাম্পাসে এসেছেন।

সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপাচার্যকে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে পুলিশি নিরাপত্তায় ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অচলাবস্থা নিরসনে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি