গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) কুমিল্লা জেলা শাখার সাবেক ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদক মো. আ. জসিম উদ্দিনের সদস্যপদ স্থগিত করেছে দলটি। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দলটির দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
নোটিশে জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল হক নূর ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুনের নির্দেশে তার সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে বলে নোটিশে জানানো হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জসিম উদ্দিনকে আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তরে লিখিত বক্তব্য জমা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে অথবা তার ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে পরবর্তী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে কী ধরনের কর্মকাণ্ডকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, নোটিশে তার বিস্তারিত জানানো হয়নি। এ বিষয়ে জসিম উদ্দিনের বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী ছিলেন জসিম উদ্দিন। ওই নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ জয়ী হন।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সমর্থনে এনসিপির প্রতীক ‘শাপলা কলি’ নিয়ে নির্বাচন করে হাসনাত আবদুল্লাহ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৮৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জসিম উদ্দিন বিএনপির সমর্থনে ‘ট্রাক’ প্রতীকে পেয়েছিলেন ৪৯ হাজার ৮৮৫ ভোট।