1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জানুয়ারিতে সংবিধান সংশোধনের বিল, ফিরতে পারে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা’ রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভাঙচুর, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তাসনিম জারার সালমান মুক্তাদিরের মন্তব্যের আগে পুরো ঘটনা জানা উচিত ছিল: রাশেদ খাঁন সালমান মুক্তাদিরের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ধ্বংসস্তূপের পাশেই চলছে শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম মমেকের ৫০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ১৩০ রোগী, মেঝে-বারান্দায় চিকিৎসা সরকার-বিরোধী দলের ন্যূনতম ঐক্য না থাকলে রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে: রিজভী জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি ৯ লাখ টাকায় আপসের দাবি, কিশোরের জামিন আবেদন নেত্রকোণার ৪৭ নেতাকর্মীকে নিজ খরচে ওমরাহে পাঠালেন লুৎফুজ্জামান বাবর

রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভাঙচুর, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তাসনিম জারার

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর-১ এলাকার রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ডা. তাসনিম জারা। তার প্রশ্ন, কয়েক ঘণ্টা ধরে ভাঙচুর চলার খবর পুলিশকে দেওয়ার পরও কীভাবে তা ঠেকানো গেল না।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তাসনিম জারা বলেন, প্রায় ৫০ বছর ধরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবার আস্থার জায়গা হিসেবে কাজ করছে। টিকাদানের পাশাপাশি প্রসূতি ও গর্ভবতী নারীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হতো এখানে।

ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও স্বাস্থ্যকর্মীরা খোলা জায়গায় শিশুদের টিকাদানসহ জরুরি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, রোদের মধ্যে কষ্ট করে মায়েরা সন্তানদের টিকা দিতে নিয়ে আসছেন। এটি কেন্দ্রটির প্রতি স্থানীয় মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তাসনিম জারা বলেন, ডিএমপি কমিশনারের বক্তব্য অনুযায়ী, কয়েক ঘণ্টা ধরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলেও পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। এরপরও তা প্রতিরোধ করা সম্ভব না হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে—এ ধরনের পরিস্থিতিতে মানুষ কীভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আস্থা রাখবে।

তিনি ঘটনাটিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখার আহ্বান জানান। দেশজুড়ে জমি, বাড়ি ও দোকান দখলের বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধেও এমন অভিযোগ রয়েছে। ক্ষমতায় আসার পর স্থানীয় পর্যায়ে দখলের প্রবণতা কেন তৈরি হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ভাঙচুরের কারণে স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন নথি ও সরঞ্জাম হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন তাসনিম জারা। তিনি বলেন, শিশুদের টিকাদানের রেজিস্টার, দুটি ট্যাব ও অফিসের ফোন পাওয়া যাচ্ছে না। আগে রেজিস্টারের তথ্য দেখে অভিভাবকদের ফোন করে পরবর্তী টিকার সময় জানানো হতো। এখন স্বাস্থ্যকর্মীরা ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সীমিতভাবে এই যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি সতর্ক করে বলেন, অনেক অভিভাবক টিকার কার্ড হারিয়ে ফেললে শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এতে ভবিষ্যতে সংক্রামক রোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। তাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দ্রুত নতুন রেজিস্টার তৈরি করে শিশুদের টিকাদানের তথ্য পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তাসনিম জারা আরও বলেন, আগে শিশুদের ছায়াযুক্ত কক্ষে বসিয়ে টিকা দেওয়া হলেও এখন খোলা রোদের মধ্যে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে ভিড়ের কারণে অনেক অভিভাবক ফিরে যাচ্ছেন।

এ ছাড়া গর্ভবতী নারীদের আল্ট্রাসনোগ্রাফি, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও কাউন্সেলিংয়ের মতো সেবাও বন্ধ রয়েছে বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য, স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে কিছু কক্ষ এখনো ব্যবহারযোগ্য পাওয়া গেছে। প্রশাসন দ্রুত এসব কক্ষ খুলে দিলে অন্তত মাতৃস্বাস্থ্যসেবা পুনরায় চালু করা সম্ভব।

স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মপরিবেশের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখার আহ্বান জানান তাসনিম জারা। তিনি বলেন, বর্তমানে তারা ওয়াশরুম ব্যবহার ও খাবার খাওয়ার মতো মৌলিক সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।

সেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য কক্ষগুলো দ্রুত খুলে দেওয়া এবং টিকাদানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা নির্বিঘ্ন রাখতে প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি