1. najmush71@gmail.com : admin : Najmush Shakeer
  2. munir2002lubnan@gmail.com : Munirul Huq Khan : Munirul Huq Khan
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে মাটির নিচে ‌‘রহস্যময়’ সুড়ঙ্গ, ভেতরে মিলেছে বিছানা-বালিশ নদীর ঘাটে লুকানো ছিল ১৫ ব্যারেল তেল এসএসসির প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি গুজব, সিটিটিসির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ কাগজপত্রবিহীন চালকদের লাইন থেকে সরে যেতে বলায় ইউএনওকে ধাওয়া ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না’ বিমানের পরিচালনা বোর্ড পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশাল মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ জামায়াতের এমপিকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৯ মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

ময়মনসিংহে চাষ হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জাতের পাঙ্গাস

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ময়মনসিংহে চাষ হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জাতের মেকং পাঙ্গাস। যার একেকটির ওজন ১২০-১৬০ কেজি। এই জাতের পাঙ্গাস তিনশ কেজির ওপরেও হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণা পুকুরে রয়েছে ১২০ থেকে ১৬০ কেজি ওজনের বিশাল ৫০টি ‘ম্যাকং জায়ান্ট ক্যাটফিস’।

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কিন্তু মহাবিপন্ন এই মেকং জায়ান্ট পাঙ্গাস নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন দেশীয় বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, এর প্রজনন সফলতা অর্জিত হলে দেশে পাঙ্গাস উৎপাদনে বিপ্লব ঘটবে।

বর্তমানে বিএফআরআইয়ের গবেষণা পুকুরে রয়েছে ১৬০ কেজি ওজনের পাঙ্গাস মাছ। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মেকং অববাহিকায় এই প্রজাতিটির প্রাকৃতিক আবাসস্থল মেকং নদীর মূল স্রোত। যেখানে পানির গভীরতা ১০ মিটার বা তার চেয়ে বেশি। এই মাছটি ২০০৫ সালে বিশ্বের অন্যতম সাদু পানির বৃহত্তম মাছের গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অর্জন করে। কিন্তু অতিরিক্ত আহরণ এবং বাসস্থানের ক্ষতির কারণে এটি এখন বিপন্ন প্রায়।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, পাঙ্গাসের বিপন্নপ্রায় এই প্রজাতিটি ২০০৫ সালে প্রথম একটি বেসরকারি খামারে আনা হয়। সেখান থেকে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৫০টি মাছ সংগ্রহ করে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট। গত ৬ বছরে এই মাছগুলোর ওজন হয়েছে ১২০ থেকে ১৫০ কেজি পর্যন্ত। যার সর্বোচ্চ ওজন হতে পারে ৩০০ কেজি পর্যন্ত।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. মো.খলিলুর রহমান বলেন, মেকং জায়ান্ট পাঙ্গাস মেকং নদীর একটা মাছ। মেকং নদীর চীন, লাউস, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনাম হয়ে এটাইয়োলো সাগরে পড়েছে। সেই নদী থেকে এই মাছটি নিয়ে এসেছিলেন ত্রিশালের রেনি ফিসারিজের কর্ণধার রেজা আলী। উনি আমাকে ৫০টি মাছ দিয়ে ছিলেন। এ মাছ গবেষণা করে পোনা উৎপাদন করা। রাষ্ট্রীয় এই মাছ গবেষণার আঁতুড়ঘরে এখন ১৭ বছর বয়সী ৫০টি পাঙ্গাস মাছ আছে। যাদের ওজন ১২০ থেকে ১৬০ কেজি। গবেষণা বলছে, এই মাছ তার জীবনকালে ১৭ থেকে ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত। এই মাছের চোয়াল ও দাঁত নেই। এটি তৃণভোজী কিন্তু রাক্ষসী নয়। মাছটি পানির নিচে পাথর কিংবা নুড়ি স্তরে থাকতে পছন্দ করে। একটি পরিপক্ব মা মাছ থেকে প্রজনন কালে প্রায় ৬০ থেকে ৮০ লাখ ডিম পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আসফ উদ দৌলাহ বলেন, কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে পোনা উৎপাদন সম্ভব হলে, এই পোনা মাত্র ১ বছরে ৯ থেকে ১২ কেজি ওজনের হয়। যা দেশি পাঙ্গাসের তুলনায় ৬ গুণ বেশি বাড়ে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. জুলফিকার আলী বলেন, মেকং জাতের একেকটি পাঙ্গাস তিনশ কেজির ওপরে হয়ে থাকে। আমাদের পুকুরে ৫০টি মেকং জাতের পাঙ্গাস মাছ রয়েছে। সম্ভাবনাময় এই মাছটির কৃত্রিম প্রজননে সফলতা অর্জন সম্ভব হলে চাষি পর্যায়ে পাঙ্গাস উৎপাদনে বাংলাদেশে বিপ্লব ঘটবে। বিস্তর কাজ এখনো বাকি আছে। আমরা মূলত এটি লালন-পালন করে, ডমিস্টিকেশন করে হ্যাচারিতে এর পোনা উৎপাদন করার দিকে বেশি খেয়াল রাখছি। থাইল্যান্ড মাছটির প্রজননে সফলতা অর্জন করলেও বাংলাদেশে এখনো সফলতা আসেনি। তবে আগামী এক দুই বছরের মধ্যে সফলতা অর্জন সম্ভব হতে পারে বলে আশা করি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২৩ আঙ্গর টিভি